০২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ তৈরি (সিবিইউ) অবস্থায় আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ অনুযায়ী, এখন থেকে নির্ধারিত ক্ষমতার এসব মোটরসাইকেল বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা যাবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দেশের মোটরসাইকেল বাজারে মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার বাইকের আমদানির পথ আরও সহজ হলো।

এর আগে আমদানিনীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুযায়ী, ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ছিল। ফলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অনেক জনপ্রিয় মডেল বাংলাদেশে বাজারজাত করার সুযোগ সীমিত ছিল।

নতুন নীতির ফলে এখন বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৬৫ সিসির বেশি এবং ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল দেশের বাজারে আসতে পারবে। এতে ক্রেতাদের জন্য নতুন মডেলের বাইকের বিকল্প বাড়বে এবং মোটরসাইকেল খাতে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে। কারণ বিদেশি ব্র্যান্ডের উন্নত প্রযুক্তির বাইক তুলনামূলকভাবে সহজে বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে।

এলসি ছাড়াই আমদানির সুযোগ

নতুন আমদানিনীতি আদেশে শুধু মোটরসাইকেল নয়, অন্যান্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে ঋণপত্র (এলসি) ব্যবস্থার পাশাপাশি মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির (সেলস বা পারচেজ কনট্রাক্ট) মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এতে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনা আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন।

বিনিয়োগ ও রপ্তানি খাতে নতুন সুবিধা

নতুন আমদানিনীতি ২০২৬-২০২৯-এ প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প বিনিয়োগ উৎসাহিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস স্থাপনের বিধান রাখা হয়েছে। এসব উদ্যোগ দেশের শিল্প খাতের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সহজ করার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন আমদানিনীতি কার্যকর হলে একদিকে যেমন ভোক্তারা উন্নত প্রযুক্তির পণ্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে দেশীয় শিল্পকে টিকে থাকতে আরও মানসম্মত ও প্রতিযোগিতামূলক হতে হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি

আপডেট সময় : ০১:১৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ তৈরি (সিবিইউ) অবস্থায় আমদানির সুযোগ দিয়েছে সরকার। নতুন আমদানিনীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ অনুযায়ী, এখন থেকে নির্ধারিত ক্ষমতার এসব মোটরসাইকেল বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা যাবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দেশের মোটরসাইকেল বাজারে মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার বাইকের আমদানির পথ আরও সহজ হলো।

এর আগে আমদানিনীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুযায়ী, ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতার মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ ছিল। ফলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অনেক জনপ্রিয় মডেল বাংলাদেশে বাজারজাত করার সুযোগ সীমিত ছিল।

নতুন নীতির ফলে এখন বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৬৫ সিসির বেশি এবং ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল দেশের বাজারে আসতে পারবে। এতে ক্রেতাদের জন্য নতুন মডেলের বাইকের বিকল্প বাড়বে এবং মোটরসাইকেল খাতে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে। কারণ বিদেশি ব্র্যান্ডের উন্নত প্রযুক্তির বাইক তুলনামূলকভাবে সহজে বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে।

এলসি ছাড়াই আমদানির সুযোগ

নতুন আমদানিনীতি আদেশে শুধু মোটরসাইকেল নয়, অন্যান্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে ঋণপত্র (এলসি) ব্যবস্থার পাশাপাশি মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির (সেলস বা পারচেজ কনট্রাক্ট) মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এতে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনা আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা প্রয়োজন অনুযায়ী সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন।

বিনিয়োগ ও রপ্তানি খাতে নতুন সুবিধা

নতুন আমদানিনীতি ২০২৬-২০২৯-এ প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প বিনিয়োগ উৎসাহিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস স্থাপনের বিধান রাখা হয়েছে। এসব উদ্যোগ দেশের শিল্প খাতের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সহজ করার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন আমদানিনীতি কার্যকর হলে একদিকে যেমন ভোক্তারা উন্নত প্রযুক্তির পণ্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে দেশীয় শিল্পকে টিকে থাকতে আরও মানসম্মত ও প্রতিযোগিতামূলক হতে হবে।