সাতক্ষীরায় চায়ের বিল নিয়ে বিরোধ, ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
- আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা শহরের পশু হাসপাতাল মোড়ে চায়ের বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মো. জাকারিয়া খান (১৯) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় চায়ের দোকানের কর্মচারী বাপীও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে শহরের ব্যস্ততম পশু হাসপাতাল এলাকার গেটের সামনে রবিউলের চায়ের দোকানে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত জাকারিয়া খান সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি রুচিরা বেকারির স্বত্বাধিকারী আব্দুল গফুর খানের ছেলে। এ ছাড়া তিনি সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির নেতা শেখ মাছুম বিল্লাহ শাহীনের মামাতো ভাই।
চায়ের বিল নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা, বিরোধ মেটাতে গিয়ে হামলার শিকার
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে পশু হাসপাতাল মোড়ের রবিউলের চায়ের দোকানে চায়ের বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে দোকানির কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জাকারিয়া বিরোধ মেটাতে এগিয়ে যান।
এ সময় দুর্বৃত্তরা জাকারিয়ার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাঁর বুক ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। একই সময় হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চায়ের দোকানের কর্মচারী বাপীও আহত হন।
হামলার পর ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত আহত জাকারিয়া ও বাপীকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাকারিয়া খানকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ
ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
চায়ের বিল নিয়ে সামান্য বিরোধের জেরে ১৯ বছর বয়সী এক যুবকের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।






















