০১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

সব সংস্করণের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের দীর্ঘদিনের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর সব সংস্করণের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব তিনি নিজের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে পালন করেছেন। এখন থেকে আবারও শুধু ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা থেকেই খেলায় মনোযোগ দিতে চান তিনি।

গুয়াহাটিতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পর্যালোচনা বৈঠকের পর হারমানপ্রীতের অধিনায়কত্ব ছাড়ার বিষয়টি সামনে আসে। বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় নারী দলের পারফরম্যান্স এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা এবং প্রধান কোচ আমোল মুজুমদার।

যেভাবে নেতৃত্বে এসেছিলেন হারমানপ্রীত

২০১২ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমবার ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেন হারমানপ্রীত। এরপর ২০১৬ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে টি-টোয়েন্টি দলের পূর্ণকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব পান।

মিতালি রাজ অবসর নেওয়ার পর ২০২২ সালে হারমানপ্রীতের হাতে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বও ওঠে। এরপর ২০২৩ সালে তিন সংস্করণেই ভারতীয় নারী দলের অধিনায়ক হন তিনি। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়ার পর এবার সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

‘আমার মনে হচ্ছে, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি’

অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে হারমানপ্রীত লিখেছেন, ‘আজ আমি সব ফরম্যাটে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। অধিনায়কত্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু বছরের স্মৃতি, আবেগ, ত্যাগ এবং এমন অনেক মুহূর্ত, যা সারাজীবন তার সঙ্গে থাকবে।

হারমানপ্রীতের ভাষায়, ভারতীয় নারী ক্রিকেট এবং দলের জন্য তিনি তার রক্ত, ঘাম, সময় এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজের খেলা ও ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার একটি অংশও উৎসর্গ করেছেন। দলের স্বার্থকে সবসময় ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ওপরে রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে

অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন হারমানপ্রীত। তার নেওয়া সব সিদ্ধান্ত সবাই বুঝতে পারেননি। আবার কিছু সিদ্ধান্ত তার নিজের জন্যও সহজ ছিল না।

এমনকি কিছু সিদ্ধান্তের ব্যক্তিগত মূল্যও দিতে হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে তার মূল লক্ষ্য ছিল দলকে আরও শক্তিশালী করা এবং সতীর্থদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রাখার সুযোগ করে দেওয়া।

হারমানপ্রীত বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। আমি এই দলকে আমার সবটুকু দিয়েছি এবং গর্বের সঙ্গে দায়িত্বটি বহন করেছি। ভারতীয় নারী ক্রিকেটের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য আমি সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব।’

অধিনায়কত্ব ছাড়লেও ক্রিকেট থেকে দূরে যাচ্ছেন না হারমানপ্রীত। বরং নেতৃত্বের চাপ থেকে মুক্ত হয়ে এখন ব্যাটিং-বোলিংয়ে আরও মনোযোগ দিয়ে দলের হয়ে খেলতে চান তিনি। তার এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় নারী ক্রিকেটে নেতৃত্বের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তথ্য উপদেষ্টা আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয় অনলাইন ডেস্ক প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫২ আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়The City Bank powerful banking App City Touch সংগৃহীত ছবি আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন বা রিকনসিলিয়েশন অসম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, ‌‌‘দেশের অনেক মানুষ এখনো আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। তারা বাংলাদেশেরই নাগরিক। আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়, বরং এমন উদ্যোগ হলে ভালো হতো। তবে রিকনসিলিয়েশনের আগে এর মৌলিক ভিত্তি কী হবে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।’ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তিনি এসব কথা বলেন। আরো পড়ুন ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ৭ তরুণের, আটক ৪ ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ৭ তরুণের, আটক ৪ তিনি বলেন, ‘মাঝখান থেকে কেউ যদি রিকনসিলিয়েশন চান এবং মনে করেন এটি ভালো উদ্যোগ, তাহলে আমারও মনে হয় এটি ভালো। তাদের উচিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে রিকনসিলিয়েশন শুরুর মৌলিক জায়গাটি নিশ্চিত করতে হবে। সেটি হলে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ’ জাহেদ উর রহমান বলেন, শুধু আলোচনার মাধ্যমে রিকনসিলিয়েশন শুরু করলেই হবে না। এর জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক শর্ত ও পারস্পরিক অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি। আওয়ামী লীগ সেই জায়গায় এগিয়ে এলে পুনর্মিলন নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পুনর্মিলনের উদ্যোগ সফল করতে আওয়ামী লীগকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। দলটিকে নিজেদের দায় স্বীকার করতে হবে।

সব সংস্করণের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত

আপডেট সময় : ১২:২১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের দীর্ঘদিনের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর সব সংস্করণের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব তিনি নিজের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে পালন করেছেন। এখন থেকে আবারও শুধু ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা থেকেই খেলায় মনোযোগ দিতে চান তিনি।

গুয়াহাটিতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পর্যালোচনা বৈঠকের পর হারমানপ্রীতের অধিনায়কত্ব ছাড়ার বিষয়টি সামনে আসে। বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় নারী দলের পারফরম্যান্স এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা এবং প্রধান কোচ আমোল মুজুমদার।

যেভাবে নেতৃত্বে এসেছিলেন হারমানপ্রীত

২০১২ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমবার ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেন হারমানপ্রীত। এরপর ২০১৬ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে টি-টোয়েন্টি দলের পূর্ণকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব পান।

মিতালি রাজ অবসর নেওয়ার পর ২০২২ সালে হারমানপ্রীতের হাতে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বও ওঠে। এরপর ২০২৩ সালে তিন সংস্করণেই ভারতীয় নারী দলের অধিনায়ক হন তিনি। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়ার পর এবার সেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

‘আমার মনে হচ্ছে, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি’

অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে হারমানপ্রীত লিখেছেন, ‘আজ আমি সব ফরম্যাটে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। অধিনায়কত্বের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু বছরের স্মৃতি, আবেগ, ত্যাগ এবং এমন অনেক মুহূর্ত, যা সারাজীবন তার সঙ্গে থাকবে।

হারমানপ্রীতের ভাষায়, ভারতীয় নারী ক্রিকেট এবং দলের জন্য তিনি তার রক্ত, ঘাম, সময় এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজের খেলা ও ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার একটি অংশও উৎসর্গ করেছেন। দলের স্বার্থকে সবসময় ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ওপরে রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে

অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তাকে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন হারমানপ্রীত। তার নেওয়া সব সিদ্ধান্ত সবাই বুঝতে পারেননি। আবার কিছু সিদ্ধান্ত তার নিজের জন্যও সহজ ছিল না।

এমনকি কিছু সিদ্ধান্তের ব্যক্তিগত মূল্যও দিতে হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে তার মূল লক্ষ্য ছিল দলকে আরও শক্তিশালী করা এবং সতীর্থদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রাখার সুযোগ করে দেওয়া।

হারমানপ্রীত বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। আমি এই দলকে আমার সবটুকু দিয়েছি এবং গর্বের সঙ্গে দায়িত্বটি বহন করেছি। ভারতীয় নারী ক্রিকেটের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য আমি সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব।’

অধিনায়কত্ব ছাড়লেও ক্রিকেট থেকে দূরে যাচ্ছেন না হারমানপ্রীত। বরং নেতৃত্বের চাপ থেকে মুক্ত হয়ে এখন ব্যাটিং-বোলিংয়ে আরও মনোযোগ দিয়ে দলের হয়ে খেলতে চান তিনি। তার এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় নারী ক্রিকেটে নেতৃত্বের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।