০২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

তাইওয়ানে আঘাত হানল শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি, নিহত ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তাইওয়ানে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি। এর প্রভাবে দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিতে গাছপালা উপড়ে পড়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও ৫২৭ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ঝড়টি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল অতিক্রম করে ক্রমেই দুর্বল হয়ে চীনের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে ঝড়টির চীনের স্থলভাগে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কা কম বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

প্রবল বাতাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

চলতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঝড়গুলোর মধ্যে অন্যতম টাইফুন চাম্পি। একপর্যায়ে এটি সুপার টাইফুনে পরিণত হয়েছিল। বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়লেও ঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১২৬ কিলোমিটার রয়েছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ)।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ঝড়টির কেন্দ্র তাইওয়ান থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল। এর আগে ভোরে ঝড়টি ইলান কাউন্টির উত্তর-পূর্ব উপকূল ঘেঁষে অতিক্রম করে। উপকূলের কিছু এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়। এতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়, গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং বহু বাড়ির ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঝড়টির গতিপথও ছিল ব্যতিক্রমী। শুক্রবার মধ্যরাতের দিকে এটি দক্ষিণ দিকে ঘুরে ইলানের উপকূল বরাবর এগিয়ে যায়। পরে সমুদ্রের ওপর বৃত্তাকার পথে ঘুরে আবার উত্তর দিকে সরে যায়।

নিহত একজন, আহত পাঁচ শতাধিক

তাইওয়ানের দমকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের কারণে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। লিউকিউ দ্বীপে সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে গিয়ে ওই ব্যক্তি মারা যান। এ ছাড়া প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিতে আহত হয়েছেন ৫২৭ জন।

ঝড়ের তীব্রতা সম্পর্কে ইলানের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক লিন জানান, মধ্যরাতের দিকে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল। নিজের বাগানে উপড়ে পড়া কলাগাছ দেখতে গিয়ে তিনি রাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘মধ্যরাতের দিকে সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল। রাতভর ঘুমাতে পারিনি। বহু বছর ধরে এমন কিছু দেখিনি।’

বিদ্যুৎ ও বিমান চলাচলে বিপর্যয়

টাইফুনের প্রভাবে তাইওয়ানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। তাইওয়ান পাওয়ার কোম্পানির তথ্যমতে, ২ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হয়েছে।

পরিবহন খাতেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নতুন করে ২৫৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর আগের দিন শুক্রবার বাতিল হয়েছিল প্রায় এক হাজার ফ্লাইট।

রাজধানী তাইপেতেও গাছ উপড়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাইপেসহ উত্তর ও মধ্য তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চীনের উপকূলে সতর্কতা জারি

টাইফুন চাম্পি চীনের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় ঝেজিয়াং প্রদেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সেখানে একটি বিশেষ দল পাঠিয়েছে। রোববার পর্যন্ত প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টির বিষয়ে সতর্ক করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪০০ উদ্ধারকর্মী ও ৬০০টি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি দায়িত্ব পালনের জন্য ৪১ হাজারের বেশি দমকলকর্মী প্রস্তুত রয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঝেজিয়াংয়ের উপকূলীয় শহর তাইঝৌতে ৩ হাজার ৮০০টির বেশি মাছ ধরার নৌকা নিরাপদে বন্দরে ফিরেছে। সমুদ্রের মাছের খামারে কর্মরত ব্যক্তিদের তীরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দ্বীপগুলোতে অবস্থানরত ২ হাজার ৮৪ জন পর্যটককে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে সমুদ্রের ওপর চলমান ২৫টি নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৮টি যাত্রীবাহী ফেরি রুটের চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

দক্ষিণ জাপানের দিকে যেতে পারে ঝড়টি

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চাম্পি চীনের উপকূল বরাবর উত্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ জাপানের দিকে যেতে পারে। তবে ঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন আবহাওয়াবিদেরা।

সাধারণত গ্রীষ্মকালে টাইফুনের প্রকোপ বেশি দেখা গেলেও শরৎকালেও এ ধরনের শক্তিশালী ঝড় সৃষ্টি হতে পারে। চাম্পির প্রভাবে তাইওয়ানে ইতোমধ্যে প্রাণহানি, আহত হওয়ার ঘটনা এবং পরিবহন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। ঝড়টি পরবর্তী সময়ে কোন অঞ্চলে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে এর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তাইওয়ানে আঘাত হানল শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি, নিহত ১

আপডেট সময় : ০১:০৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

তাইওয়ানে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি। এর প্রভাবে দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিতে গাছপালা উপড়ে পড়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও ৫২৭ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ঝড়টি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল অতিক্রম করে ক্রমেই দুর্বল হয়ে চীনের উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে ঝড়টির চীনের স্থলভাগে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কা কম বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

প্রবল বাতাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

চলতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঝড়গুলোর মধ্যে অন্যতম টাইফুন চাম্পি। একপর্যায়ে এটি সুপার টাইফুনে পরিণত হয়েছিল। বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়লেও ঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১২৬ কিলোমিটার রয়েছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ)।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ঝড়টির কেন্দ্র তাইওয়ান থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল। এর আগে ভোরে ঝড়টি ইলান কাউন্টির উত্তর-পূর্ব উপকূল ঘেঁষে অতিক্রম করে। উপকূলের কিছু এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়। এতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়, গাছপালা উপড়ে পড়ে এবং বহু বাড়ির ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঝড়টির গতিপথও ছিল ব্যতিক্রমী। শুক্রবার মধ্যরাতের দিকে এটি দক্ষিণ দিকে ঘুরে ইলানের উপকূল বরাবর এগিয়ে যায়। পরে সমুদ্রের ওপর বৃত্তাকার পথে ঘুরে আবার উত্তর দিকে সরে যায়।

নিহত একজন, আহত পাঁচ শতাধিক

তাইওয়ানের দমকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের কারণে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। লিউকিউ দ্বীপে সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে গিয়ে ওই ব্যক্তি মারা যান। এ ছাড়া প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিতে আহত হয়েছেন ৫২৭ জন।

ঝড়ের তীব্রতা সম্পর্কে ইলানের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক লিন জানান, মধ্যরাতের দিকে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল। নিজের বাগানে উপড়ে পড়া কলাগাছ দেখতে গিয়ে তিনি রাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘মধ্যরাতের দিকে সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল। রাতভর ঘুমাতে পারিনি। বহু বছর ধরে এমন কিছু দেখিনি।’

বিদ্যুৎ ও বিমান চলাচলে বিপর্যয়

টাইফুনের প্রভাবে তাইওয়ানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। তাইওয়ান পাওয়ার কোম্পানির তথ্যমতে, ২ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হয়েছে।

পরিবহন খাতেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নতুন করে ২৫৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর আগের দিন শুক্রবার বাতিল হয়েছিল প্রায় এক হাজার ফ্লাইট।

রাজধানী তাইপেতেও গাছ উপড়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাইপেসহ উত্তর ও মধ্য তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ এলাকায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চীনের উপকূলে সতর্কতা জারি

টাইফুন চাম্পি চীনের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় ঝেজিয়াং প্রদেশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সেখানে একটি বিশেষ দল পাঠিয়েছে। রোববার পর্যন্ত প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টির বিষয়ে সতর্ক করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪০০ উদ্ধারকর্মী ও ৬০০টি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি দায়িত্ব পালনের জন্য ৪১ হাজারের বেশি দমকলকর্মী প্রস্তুত রয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঝেজিয়াংয়ের উপকূলীয় শহর তাইঝৌতে ৩ হাজার ৮০০টির বেশি মাছ ধরার নৌকা নিরাপদে বন্দরে ফিরেছে। সমুদ্রের মাছের খামারে কর্মরত ব্যক্তিদের তীরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দ্বীপগুলোতে অবস্থানরত ২ হাজার ৮৪ জন পর্যটককে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে সমুদ্রের ওপর চলমান ২৫টি নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৮টি যাত্রীবাহী ফেরি রুটের চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

দক্ষিণ জাপানের দিকে যেতে পারে ঝড়টি

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চাম্পি চীনের উপকূল বরাবর উত্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ জাপানের দিকে যেতে পারে। তবে ঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন আবহাওয়াবিদেরা।

সাধারণত গ্রীষ্মকালে টাইফুনের প্রকোপ বেশি দেখা গেলেও শরৎকালেও এ ধরনের শক্তিশালী ঝড় সৃষ্টি হতে পারে। চাম্পির প্রভাবে তাইওয়ানে ইতোমধ্যে প্রাণহানি, আহত হওয়ার ঘটনা এবং পরিবহন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। ঝড়টি পরবর্তী সময়ে কোন অঞ্চলে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে এর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর।