কুমিল্লার পশুর হাটে নতুন আকর্ষণ উট সুলতান
- আপডেট সময় : ০৪:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষীপুর এলাকায় একটি এগ্রো ফার্মে এবার কোরবানির পশুর হাটে যোগ হয়েছে ভিন্ন এক আকর্ষণ বিশাল আকৃতির উট “সুলতান”। প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে আনা এই উটটি খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদের উদ্যোগে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক কৌতূহল।
কুমিল্লায় এবারের পশুর হাটে গরু-ছাগলের পাশাপাশি উটের উপস্থিতি হাটে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন “সুলতান” উটকে এক নজর দেখতে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে উৎসাহ ও আগ্রহ।উটটির দেখভালকারী শ্রমিকরা জানান, গরুর তুলনায় উট পালন তুলনামূলকভাবে সহজ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উট সাধারণত গরুর মতোই খাবার খায় এবং এর পরিচর্যায়ও কম ঝামেলা হয়।
এ বিষয়ে খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ বলেন, “ভিন্ন কিছু করার চিন্তা থেকেই রাজস্থান থেকে উটটি আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে উট পালন দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি। স্থানীয়দের মতে, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে। ফলে “সুলতান” এখন হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।
এদিকে গবাদি পশু যেন রোগে আক্রান্ত না হয় সেজন্য মাঠ পর্যায়ে দশহাজার খামারীকে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে পরামর্শ দেয়া হয়েছে । কুমিল্লায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে এ বছর ২লক্ষ ৫৯ হাজার টি গবাদি পশু ও প্রানী রয়েছে।তবে কুমিল্লায় চাহিদা রয়েছে ২লক্ষ ৪৭হাজার। তার মধ্যে ১২হাজার টি গবাদি পশু উদ্ধৃত্ত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করছেন প্রাণী সম্পদ দপ্তর।
গবাদি পশুর খাদ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ সহ সীমান্তপাড়ি দিয়ে অবৈধপথে ভারত ও বার্মা থেকে গরু আসা বন্ধ থাকলে স্থানীয় খামারীরা পশুর ন্যায্য মূল্য পাবেন এমনটাই প্রত্যাশা খামারীসহ পশুসম্পদ বিভাগ সংশ্লিষ্টদের।
























