০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে করার জন্য ‘এআই টপ অ্যাটম’ নামে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, চারটি এআই টপ অ্যাটম একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল ও বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো মেমোরি-নির্ভর কাজ করা সম্ভব।

সহজভাবে বললে, এআই টপ অ্যাটম একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়।

গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। ফলে একক কম্পিউটারের তুলনায় বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।

গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে এ প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখাতে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।

উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণ দেখানো হয়। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যায়।

গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, ‘বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে-৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তারঁ মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্য নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।’

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে করার জন্য ‘এআই টপ অ্যাটম’ নামে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম এনেছে গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, চারটি এআই টপ অ্যাটম একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল ও বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনের মতো মেমোরি-নির্ভর কাজ করা সম্ভব।

সহজভাবে বললে, এআই টপ অ্যাটম একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি মূলত এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়।

গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। ফলে একক কম্পিউটারের তুলনায় বড় ও জটিল কাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়।

গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে এ প্রযুক্তির সক্ষমতা দেখাতে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ প্রদর্শন করেছে। এতে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয় এবং পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।

উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণ দেখানো হয়। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটারে সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যায়।

গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশনের পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। সেখানে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

এর ফলে সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কাজে বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে তথ্য ও গবেষণার কাজ পরিচালনা করা সম্ভব হওয়ায় সংবেদনশীল ডেটার ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণও বজায় থাকে।

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, ‘বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে-৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তারঁ মতে, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের জন্য নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।’