১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬৯১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বড় ডেটা বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম ‘এআই টপ অ্যাটম’ এনেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল, বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন ও মেমোরি-নির্ভর জটিল কাজ করা সম্ভব এই সিস্টেমে।

সাধারণ কম্পিউটার নয় এআই টপ অ্যাটম

এআই টপ অ্যাটম মূলত সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম।

প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়। ফলে বড় আকারের এআই ও গবেষণাভিত্তিক কাজ স্থানীয়ভাবেই সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হয়।

রয়েছে ১ পিফ্লপস এআই পারফরম্যান্স

গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়।

চারটি নোড একত্রে ব্যবহার করলে বড় ও জটিল কম্পিউটিং কাজ পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়ে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ ডেটা ও মেমোরি প্রয়োজন হয়—এমন কাজের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনে ব্যবহার

এআই টপ অ্যাটমের সক্ষমতা দেখাতে গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদাহরণ প্রদর্শন করেছে। সেখানে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয়। পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।

উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণও দেখানো হয়েছে। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা যায়।

৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন

গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। তবে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, এ ধরনের সক্ষমতা সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা দিতে পারে।

বাংলাদেশে তিন ভ্যারিয়েন্ট

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে—৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের কাজে নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।

স্থানীয়ভাবে এ ধরনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সুবিধা ব্যবহারের ফলে গবেষণার তথ্য ও সংবেদনশীল ডেটা দেশের ভেতরেই প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে। এতে ব্যবহারকারীর ডেটার ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার সুযোগও তৈরি হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এআই গবেষণায় একধাপ এগিয়ে গিগাবাইটের এআই টপ অ্যাটম

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বড় ডেটা বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল কাজ স্থানীয়ভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম ‘এআই টপ অ্যাটম’ এনেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে বড় এআই মডেল, বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন ও মেমোরি-নির্ভর জটিল কাজ করা সম্ভব এই সিস্টেমে।

সাধারণ কম্পিউটার নয় এআই টপ অ্যাটম

এআই টপ অ্যাটম মূলত সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটার নয়। এটি এআই মডেল চালানো, বড় ডেটা নিয়ে কাজ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জটিল হিসাব-নিকাশের জন্য তৈরি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সিস্টেম।

প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক ইউনিট একসঙ্গে যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো যায়। ফলে বড় আকারের এআই ও গবেষণাভিত্তিক কাজ স্থানীয়ভাবেই সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হয়।

রয়েছে ১ পিফ্লপস এআই পারফরম্যান্স

গিগাবাইটের তথ্যমতে, প্রতিটি এআই টপ অ্যাটম নোডে রয়েছে ১ পিফ্লপস এফপি৪ এআই পারফরম্যান্স এবং ১২৮ গিগাবাইট ইউনিফায়েড মেমোরি। ২০০ গিগাবিট ইথারনেটের মাধ্যমে চারটি নোড পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা যায়।

চারটি নোড একত্রে ব্যবহার করলে বড় ও জটিল কম্পিউটিং কাজ পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়ে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ ডেটা ও মেমোরি প্রয়োজন হয়—এমন কাজের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

বৈজ্ঞানিক সিমুলেশনে ব্যবহার

এআই টপ অ্যাটমের সক্ষমতা দেখাতে গিগাবাইট ও এনভিডিয়া যৌথভাবে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদাহরণ প্রদর্শন করেছে। সেখানে এআই ব্যবহার করে গবেষণার সম্ভাব্য ধারণা তৈরি করা হয়। পরে ‘গ্রোম্যাক্স’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই ধারণা নিয়ে বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন চালানো হয়।

উন্নত সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিংয়ের জন্য ‘থার্মাল ইন্টারফেস ম্যাটেরিয়াল’ বা টিআইএম উন্নয়নের উদাহরণও দেখানো হয়েছে। এ ধরনের গবেষণায় কোনো উপাদানের অণুগুলো কীভাবে আচরণ করে, তা কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা যায়।

৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন

গিগাবাইট জানিয়েছে, সাধারণ একক সিস্টেমে প্রায় ১ কোটি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর পর মেমোরি সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। তবে চার নোডের এআই টপ অ্যাটম ক্লাস্টার ব্যবহার করে ৩ কোটির বেশি পরমাণুর সিমুলেশন চালানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, এ ধরনের সক্ষমতা সেমিকন্ডাক্টর, উপাদান বিজ্ঞান, এআই গবেষণা এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বড় পরিসরের কম্পিউটিং সুবিধা দিতে পারে।

বাংলাদেশে তিন ভ্যারিয়েন্ট

গিগাবাইটের কান্ট্রি ম্যানেজার খাজা মো. আনাস খান জানান, বাংলাদেশে এআই টপ অ্যাটমের তিনটি ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে—৯০০০, ৯০০১ ও ৯০০২। ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী এর দাম সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, এআই টপ অ্যাটম শুধু এআই উন্নয়নের কাজে নয়, ভবিষ্যতে বড় পরিসরের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে।

স্থানীয়ভাবে এ ধরনের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সুবিধা ব্যবহারের ফলে গবেষণার তথ্য ও সংবেদনশীল ডেটা দেশের ভেতরেই প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে। এতে ব্যবহারকারীর ডেটার ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার সুযোগও তৈরি হবে।