০৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আধুনিক কৃষিতে দক্ষতা অর্জনে ১৮ কৃষককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সেনাবাহিনী

আবুবকর ছিদ্দিক, বান্দরবান
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় পাহাড়ি এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কৃষি উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যেও এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের ব্যবস্থাপনায় এবং ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের পরিচালনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রুমা গ্যারিসনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেছারুল হক আশিফ। অনুষ্ঠানে রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম ফরিদুল হক, ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের ক্যাপ্টেন ওআইসি মো. নাইমুর রেজা রাহাত, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ভবতোষ চক্রবর্তী, স্থানীয় নার্সারি মালিক ক্যউসিং মার্মাসহ কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি

প্রথম ধাপে ১৮ জন কৃষক ও প্রশিক্ষণার্থীকে নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি এবং কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হচ্ছে।

এর পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে হাতে-কলমে কৃষিকাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা জরুরি। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সফল কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য

৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেছারুল হক আশিফ বলেন, ‘পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ ও সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত কৃষি প্রযুক্তির জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তারা যাতে নিজেদের স্বাবলম্বী করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম ফরিদুল হক বলেন, সফল কৃষি উদ্যোক্তা হতে হলে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। প্রশিক্ষণে কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি হাতে-কলমে কাজ শেখানো হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান দেওয়া হবে।

স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যয় প্রশিক্ষণার্থীদের

প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাওয়ায় তারা এ প্রশিক্ষণ নিয়ে আশাবাদী।

প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজেদের কৃষিকাজে প্রয়োগ করে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আধুনিক কৃষিতে দক্ষতা অর্জনে ১৮ কৃষককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় পাহাড়ি এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কৃষি উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যেও এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়নের ব্যবস্থাপনায় এবং ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের পরিচালনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রুমা গ্যারিসনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেছারুল হক আশিফ। অনুষ্ঠানে রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম ফরিদুল হক, ৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের ক্যাপ্টেন ওআইসি মো. নাইমুর রেজা রাহাত, উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ভবতোষ চক্রবর্তী, স্থানীয় নার্সারি মালিক ক্যউসিং মার্মাসহ কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি

প্রথম ধাপে ১৮ জন কৃষক ও প্রশিক্ষণার্থীকে নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি এবং কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হচ্ছে।

এর পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে হাতে-কলমে কৃষিকাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা জরুরি। কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সফল কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্য

৩৮ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নেছারুল হক আশিফ বলেন, ‘পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ ও সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত কৃষি প্রযুক্তির জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তারা যাতে নিজেদের স্বাবলম্বী করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

রুমা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম ফরিদুল হক বলেন, সফল কৃষি উদ্যোক্তা হতে হলে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। প্রশিক্ষণে কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি হাতে-কলমে কাজ শেখানো হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান দেওয়া হবে।

স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যয় প্রশিক্ষণার্থীদের

প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাওয়ায় তারা এ প্রশিক্ষণ নিয়ে আশাবাদী।

প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজেদের কৃষিকাজে প্রয়োগ করে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।