০৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

জুলাইকে ধারণ না করার বিএনপির অভিযোগ হাস্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৬১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীই জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে। বিএনপি জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে না বলে যে অভিযোগ করছে, তা হাস্যকর। তাঁর অভিযোগ, সরকার জুলাইয়ের চেতনা ধারণ না করায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির বিরুদ্ধে দলীয়করণের অভিযোগ

গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক নিয়োগ দিচ্ছে। তাঁর দাবি, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, জামায়াতসহ ১১টি দল জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে বিএনপি গণভোটের রায় উপেক্ষা করে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, সরকারি কর্মকমিশনেও সরকার হস্তক্ষেপ করছে। তাঁর দাবি, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অথচ ২০২৪ সালের আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণ বন্ধ করা।

জুলাই শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগের দাবি

জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় জামায়াতের আমির পাশে ছিলেন বলে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তুলে ধরতে জামায়াতের উদ্যোগে বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় বই প্রকাশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারাও বেতন না পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।

সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকারের সমালোচনা

সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, দলটি নিজেদের নোট অব ডিসেন্টের অবস্থানে অনড় থেকে রাষ্ট্র সংস্কারের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। তাঁর অভিযোগ, সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে সংশোধনের পথে এগিয়ে জনগণের গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাই জনগণের মতামত উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত নয়।

গোলাম পরওয়ারের ভাষ্য, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হলে ভবিষ্যতে যে দলই সরকার গঠন করুক, ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা থেকে যাবে।

বিরোধীদলীয় নেতাকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ

ওসমানী উদ্যানে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতার যোগ না দেওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বিরোধীদলীয় নেতার নাম উল্লেখ না করায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি।

তাঁর দাবি, আমন্ত্রণপত্রে প্রতিমন্ত্রীদের নাম থাকলেও বিরোধীদলীয় নেতার নাম ছিল না। এ কারণে অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অসত্য ও হাস্যকর আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের জোট করার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিতে জামায়াত জাতীয় পার্টি ও বাম দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আন্দোলন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেনি।

১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বিএনপির সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে ওই সময়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সুযোগ পেয়েছিল।

সভা-সমাবেশ ও মাদ্রাসার কমিটি নিয়ে অভিযোগ

গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সভা-সমাবেশ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। আমীর হামজা এমপির ওয়াজ মাহফিলের অনুমতি বাতিল এবং রাজশাহীতে একটি সম্মেলন বন্ধ করে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সরকারি বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তাঁর ভাষ্য, বিরোধী দলের সমালোচনাকে রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দিয়ে সরকার নিজের ব্যর্থতা ও দলীয়করণের অভিযোগ আড়াল করতে চাইছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জুলাইকে ধারণ না করার বিএনপির অভিযোগ হাস্যকর

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীই জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে। বিএনপি জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে না বলে যে অভিযোগ করছে, তা হাস্যকর। তাঁর অভিযোগ, সরকার জুলাইয়ের চেতনা ধারণ না করায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির বিরুদ্ধে দলীয়করণের অভিযোগ

গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক নিয়োগ দিচ্ছে। তাঁর দাবি, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, জামায়াতসহ ১১টি দল জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে বিএনপি গণভোটের রায় উপেক্ষা করে তা বাস্তবায়নে টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, সরকারি কর্মকমিশনেও সরকার হস্তক্ষেপ করছে। তাঁর দাবি, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। অথচ ২০২৪ সালের আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণ বন্ধ করা।

জুলাই শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগের দাবি

জুলাই আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় জামায়াতের আমির পাশে ছিলেন বলে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তুলে ধরতে জামায়াতের উদ্যোগে বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় বই প্রকাশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সরকারের বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারাও বেতন না পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করেছেন।

সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকারের সমালোচনা

সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে গোলাম পরওয়ার বলেন, দলটি নিজেদের নোট অব ডিসেন্টের অবস্থানে অনড় থেকে রাষ্ট্র সংস্কারের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। তাঁর অভিযোগ, সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে সংশোধনের পথে এগিয়ে জনগণের গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাই জনগণের মতামত উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত নয়।

গোলাম পরওয়ারের ভাষ্য, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার না হলে ভবিষ্যতে যে দলই সরকার গঠন করুক, ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা থেকে যাবে।

বিরোধীদলীয় নেতাকে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ

ওসমানী উদ্যানে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতার যোগ না দেওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বিরোধীদলীয় নেতার নাম উল্লেখ না করায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি।

তাঁর দাবি, আমন্ত্রণপত্রে প্রতিমন্ত্রীদের নাম থাকলেও বিরোধীদলীয় নেতার নাম ছিল না। এ কারণে অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে অসত্য ও হাস্যকর আখ্যা দিয়ে এর নিন্দা জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের জোট করার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিতে জামায়াত জাতীয় পার্টি ও বাম দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আন্দোলন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেনি।

১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বিএনপির সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে ওই সময়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সুযোগ পেয়েছিল।

সভা-সমাবেশ ও মাদ্রাসার কমিটি নিয়ে অভিযোগ

গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সভা-সমাবেশ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। আমীর হামজা এমপির ওয়াজ মাহফিলের অনুমতি বাতিল এবং রাজশাহীতে একটি সম্মেলন বন্ধ করে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলীয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের আশঙ্কা।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সরকারি বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তাঁর ভাষ্য, বিরোধী দলের সমালোচনাকে রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দিয়ে সরকার নিজের ব্যর্থতা ও দলীয়করণের অভিযোগ আড়াল করতে চাইছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।