বারিধারায় গাড়িচাপায় জড়িত সেই কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠাল আদালত
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফুটপাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার আইনের সংঘাতে জড়িত কিশোর আজান আলী শরীফকে সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে কিশোরের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর হোসেন জামিনের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আজান গাড়িটির চালকের পাশের আসনে বসা ছিল। নিহত মেহেদী শ্রবণ ও বাক্প্রতিবন্ধী ছিলেন। তাকে হর্ন দেওয়া হলেও দ্রুত সরে যেতে না পারায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে আবেদনে দাবি করা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে কিশোরের পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ৯ লাখ টাকা নগদ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেছে
এর আগে আইনের সংঘাতে জড়িত কিশোরকে আদালতে হাজির করে তাকে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. আরিফীন ইসলাম।
আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পরপরই প্রাইভেট কারের ডান পাশের চালকের আসন থেকে আজান আলী শরীফ দরজা খুলে বের হয়ে আসে।
তদন্তে ঘটনাটির সঙ্গে কিশোরের জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে বলেও আদালতকে জানানো হয়। মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা
মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় তার বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন।
মামলায় আকাশ মারক (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গাড়িটির চালক হিসেবে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, আকাশ মারক বেপরোয়া গতিতে প্রাইভেটকার চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে তার মৃত্যু হয়।


























