০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভাইভা নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দলীয়করণের ইঙ্গিত: মিয়া গোলাম পরওয়ার

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:২০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত বহন করছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তনের উদ্যোগের সমালোচনা করে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ভাইভার নম্বর বাড়ানো নিয়ে আপত্তি

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর সমান ৫০ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়োগ ব্যবস্থায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি করতে পারে। লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়।

তিনি বলেন, লিখিত পরীক্ষার খাতা সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশে বোর্ডের ব্যক্তিগত বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। তাই ভাইভার নম্বরের গুরুত্ব বাড়লে মেধাবী প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগ

জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দিচ্ছে। তার দাবি, মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয়কে গুরুত্ব দিলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। অথচ নিয়োগ ব্যবস্থায় এমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

স্বচ্ছ নিয়োগের দাবি

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরিশ্রমের পর তারা পরীক্ষায় অংশ নেন। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন কোনো ব্যবস্থা থাকা উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফল পরিবর্তন করা যায়।

তিনি বলেন, পরীক্ষায় অনিয়ম ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, ডিজিটাল নজরদারি ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু অনিয়ম বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা বাতিল করে মেধা, যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভাইভা নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দলীয়করণের ইঙ্গিত: মিয়া গোলাম পরওয়ার

আপডেট সময় : ০১:২০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত বহন করছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তনের উদ্যোগের সমালোচনা করে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ভাইভার নম্বর বাড়ানো নিয়ে আপত্তি

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর সমান ৫০ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়োগ ব্যবস্থায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি করতে পারে। লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা ও বিশ্লেষণী সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়।

তিনি বলেন, লিখিত পরীক্ষার খাতা সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশে বোর্ডের ব্যক্তিগত বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। তাই ভাইভার নম্বরের গুরুত্ব বাড়লে মেধাবী প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগ

জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দিচ্ছে। তার দাবি, মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয়কে গুরুত্ব দিলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। অথচ নিয়োগ ব্যবস্থায় এমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

স্বচ্ছ নিয়োগের দাবি

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদে বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরিশ্রমের পর তারা পরীক্ষায় অংশ নেন। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন কোনো ব্যবস্থা থাকা উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফল পরিবর্তন করা যায়।

তিনি বলেন, পরীক্ষায় অনিয়ম ঠেকাতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, ডিজিটাল নজরদারি ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু অনিয়ম বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা বাতিল করে মেধা, যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে।