৫ দিন পর হিলি বন্দরে আবারও আমদানি-রপ্তানি শুরু
- আপডেট সময় : ০৩:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৪ বার পড়া হয়েছে
পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর হিলি স্থলবন্দরে আবারও আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর শনিবার সকাল থেকে দুই দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।
এর আগে গত ৩০ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধ রাখেন ভারতের হিলির ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও পণ্য আমদানি বন্ধ ছিল। ফলে হিলি বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েন শত শত শ্রমিক।
বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহার
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। গত বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে হিলি স্থলবন্দরের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বন্দরের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন।
ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বৈঠকে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে রপ্তানির বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পাওয়া গেছে।
বাণিজ্য কমে যাওয়ার অভিযোগ
বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, বৈঠকের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। তবে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
তিনি আরও বলেন, হিলি বন্দরে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনেক কমে গেছে। একপর্যায়ে তা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নেমে এসেছে। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এদিকে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের অন্য স্থলবন্দরের তুলনায় হিলি বাণিজ্যিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য
ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। একই সঙ্গে কাজে ফিরেছেন বন্দরের শ্রমিকরাও।
























