রাজশাহীতে ওলন্দাজদের পরিত্যক্ত প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন কুঠিটি এবার জাদুঘর হচ্ছে
- আপডেট সময় : ০৫:১৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল ২০২১
- / ১৭০৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে ওলন্দাজদের পরিত্যক্ত প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন কুঠিটি এবার জাদুঘর হচ্ছে। ডাচরা তাদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নিলে ১৮১৪ সালে এই বড়কুঠি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করে। পরে ব্রিটিশরা নীলচাষে বিদ্রোহ করা কৃষকদের ধরে এনে এ ভবনেই নির্মমভাবে নির্যাতন চালাতো। এই চাপা-পড়া ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
বলা হয়ে থাকে, বড়কুঠি রাজশাহী অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন ইমারত। এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের ব্যবসাকেন্দ্র ছিল। শত্রুদের মোকাবেলার জন্য এ ভবনের ছাদে এবং নিচে বেশ কয়েকটি কামানও প্রস্তুত রাখতেন ওলন্দাজ বাবসায়ীরা। পরে ১৮১৪ থেকে ১৮৩৩ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এটিকে তাদের বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার করে। এ অঞ্চলে উৎপাদিত নানা ফসল নিয়ে যেতো তৎকালীন শাসকরা। ইংরেজদের নির্মমতার নীবর সাক্ষী এই বড়কুঠি।
এদিকে, ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল। তবে ২০০৯ সালে ভবনটি রক্ষার চেষ্টা করেন সিটি মেয়র। ২০১৮ সালের মে মাসে বড়কুঠি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংরক্ষিত পুরাকীর্তির স্বীকৃতি পায়। এ ভবনকে ঘিরে নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন মেয়র।
এরইমধ্যে প্রায় ৫লাখ টাকার একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ভবনটির সংস্কারকাজ শুরু করেছে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। এর ইতিহাস রক্ষায় ডাচদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, ছবি ও পেইন্টিং স্থান পাবে এখানে। ভবনটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হলে ভিন্নরূপে প্রাণ ফিরে পাবে ঐতিহাসিক বড়কুঠি- এমনটিই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।



























