০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

১১ গোলের ম্যাচে ৯টাই হজম করল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫২৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফিফা এশিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই স্বাগতিকদের আক্রমণের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে লাল-সবুজের দল।

ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে গোল করেছেন শাহরিয়ার ইমন ও ফারহান আলী। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার হয়ে মিচেল বেকার একাই করেছেন পাঁচ গোল। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বড় জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ

ম্যাচের ১১তম মিনিটে গোল করে ইন্দোনেশিয়াকে এগিয়ে দেন মিচেল বেকার। ওলে রমনির ব্যাক পাস থেকে বল পেয়ে প্রথম স্পর্শেই লক্ষ্যভেদ করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএল লিগ টুতে খেলা এই ফরোয়ার্ড।

২০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন বেকার। এরপর ৩১তম মিনিটে রিজকি রিদোর গোলে ইন্দোনেশিয়া ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

৩৬তম মিনিটে বাংলাদেশ একটি গোল শোধ করে। শাহরিয়ার ইমনের গোলে ম্যাচে কিছুটা স্বস্তি ফেরে। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

প্রথমার্ধেই ৬ গোল হজম

৩৭তম মিনিটে রমনির কাট-ব্যাক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন বেকার। পাঁচ মিনিট পর হেডে নিজের চতুর্থ গোল করেন তিনি।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে জাস্টিন হাবনারের গোলে ইন্দোনেশিয়া ৬-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ফলে বিরতিতে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বাংলাদেশ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইন্দোনেশিয়ার হাতেই। ৮৪তম মিনিটে স্বাগতিকদের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

৯০তম মিনিটে লুক বিকারি গোল করে ইন্দোনেশিয়ার ব্যবধান আরও বাড়ান। পরের মিনিটেই রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে ফারহান আলী গোল করে বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি করেন।

ম্যাচের শেষদিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয়। সেই সময়ে কেভিন ডিকস গোল করেন। এরপর যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে নিজের পঞ্চম গোল করে ইন্দোনেশিয়ার জয় ৯-২ করেন মিচেল বেকার।

এক ম্যাচে ৯ গোল হজমের তৃতীয় ঘটনা

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচে ৯ গোল হজম করল বাংলাদেশ। এর আগে জাতীয় ফুটবল দল এক ম্যাচে ৯ গোল হজম করেছিল আরও দুবার।

১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এবং ১৯৮২ সালে ইরানের বিপক্ষে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারলেও দুই গোল করতে পেরেছে লাল-সবুজের দল।

ফলে ফিফা এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটি শেষ হয়েছে বড় পরাজয় ও হতাশা দিয়ে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

১১ গোলের ম্যাচে ৯টাই হজম করল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১২:২৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ফিফা এশিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই স্বাগতিকদের আক্রমণের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে লাল-সবুজের দল।

ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে গোল করেছেন শাহরিয়ার ইমন ও ফারহান আলী। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার হয়ে মিচেল বেকার একাই করেছেন পাঁচ গোল। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বড় জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ

ম্যাচের ১১তম মিনিটে গোল করে ইন্দোনেশিয়াকে এগিয়ে দেন মিচেল বেকার। ওলে রমনির ব্যাক পাস থেকে বল পেয়ে প্রথম স্পর্শেই লক্ষ্যভেদ করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএল লিগ টুতে খেলা এই ফরোয়ার্ড।

২০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন বেকার। এরপর ৩১তম মিনিটে রিজকি রিদোর গোলে ইন্দোনেশিয়া ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

৩৬তম মিনিটে বাংলাদেশ একটি গোল শোধ করে। শাহরিয়ার ইমনের গোলে ম্যাচে কিছুটা স্বস্তি ফেরে। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

প্রথমার্ধেই ৬ গোল হজম

৩৭তম মিনিটে রমনির কাট-ব্যাক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন বেকার। পাঁচ মিনিট পর হেডে নিজের চতুর্থ গোল করেন তিনি।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে জাস্টিন হাবনারের গোলে ইন্দোনেশিয়া ৬-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ফলে বিরতিতে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বাংলাদেশ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইন্দোনেশিয়ার হাতেই। ৮৪তম মিনিটে স্বাগতিকদের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

৯০তম মিনিটে লুক বিকারি গোল করে ইন্দোনেশিয়ার ব্যবধান আরও বাড়ান। পরের মিনিটেই রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে ফারহান আলী গোল করে বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি করেন।

ম্যাচের শেষদিকে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর অতিরিক্ত সময় যোগ করা হয়। সেই সময়ে কেভিন ডিকস গোল করেন। এরপর যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে নিজের পঞ্চম গোল করে ইন্দোনেশিয়ার জয় ৯-২ করেন মিচেল বেকার।

এক ম্যাচে ৯ গোল হজমের তৃতীয় ঘটনা

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচে ৯ গোল হজম করল বাংলাদেশ। এর আগে জাতীয় ফুটবল দল এক ম্যাচে ৯ গোল হজম করেছিল আরও দুবার।

১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এবং ১৯৮২ সালে ইরানের বিপক্ষে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারলেও দুই গোল করতে পেরেছে লাল-সবুজের দল।

ফলে ফিফা এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটি শেষ হয়েছে বড় পরাজয় ও হতাশা দিয়ে।