১২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হুথিদের বিরুদ্ধে ৭২ ঘণ্টায় ৭৫৬ অভিযান, নিহত-আহত ২,৩১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ৭২ ঘণ্টায় ৭৫৬টি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার—এই তিন দিনে আল-বাকা, আলাব, আল-জাউফ, মারিব, আল-বায়দা, লাহজ ও তাঈজ প্রদেশে এসব অভিযান চালানো হয়।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর দাবি, বিমান, ড্রোন, রকেট লঞ্চার ও ফিল্ড আর্টিলারি ব্যবহার করে পরিচালিত এসব অভিযানে ২ হাজার ৩১৬ জন হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন ইরানি নাগরিক রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন বলে জানিয়েছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

ধ্বংস হয়েছে সামরিক স্থাপনা

অভিযানগুলোতে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের স্থাপনা, সামরিক যান, অস্ত্র ও গোলাবারুদের ডিপো এবং সেনা সমাবেশস্থলসহ বিভিন্ন সামরিক সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আবদুল্লাহ আল নুজাইলি।

বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ

আল-নুজাইলি বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনের লাহজ প্রদেশের আল-ধালেয়া জেলার একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুথিরা। এতে তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং চারজন আহত হন বলে দাবি করেন তিনি।

একই সময়ে লাহজের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে হুথি যোদ্ধারা ল্যান্ডমাইন পেতে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এর ফলে বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র।

তার দাবি, এসব কারণেই গত ৭২ ঘণ্টায় হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের সংঘাত

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর এক বছর পর, ২০১৫ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে। ওই সময় ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বুহ মনসুর হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যান।

হাদি সরকারের ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘাতে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

বর্তমানে রাজধানী সানা, লোহিত সাগর উপকূল ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিসহ উত্তর ইয়েমেনের বড় একটি অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার।

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুথিদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে গত জুলাই থেকে সেনাবাহিনীর অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: আরব নিউজ

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হুথিদের বিরুদ্ধে ৭২ ঘণ্টায় ৭৫৬ অভিযান, নিহত-আহত ২,৩১৬

আপডেট সময় : ১১:৪২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ৭২ ঘণ্টায় ৭৫৬টি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার—এই তিন দিনে আল-বাকা, আলাব, আল-জাউফ, মারিব, আল-বায়দা, লাহজ ও তাঈজ প্রদেশে এসব অভিযান চালানো হয়।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর দাবি, বিমান, ড্রোন, রকেট লঞ্চার ও ফিল্ড আর্টিলারি ব্যবহার করে পরিচালিত এসব অভিযানে ২ হাজার ৩১৬ জন হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন ইরানি নাগরিক রয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন বলে জানিয়েছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

ধ্বংস হয়েছে সামরিক স্থাপনা

অভিযানগুলোতে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের স্থাপনা, সামরিক যান, অস্ত্র ও গোলাবারুদের ডিপো এবং সেনা সমাবেশস্থলসহ বিভিন্ন সামরিক সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আবদুল্লাহ আল নুজাইলি।

বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ

আল-নুজাইলি বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনের লাহজ প্রদেশের আল-ধালেয়া জেলার একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুথিরা। এতে তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং চারজন আহত হন বলে দাবি করেন তিনি।

একই সময়ে লাহজের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে হুথি যোদ্ধারা ল্যান্ডমাইন পেতে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এর ফলে বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র।

তার দাবি, এসব কারণেই গত ৭২ ঘণ্টায় হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের সংঘাত

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর এক বছর পর, ২০১৫ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে। ওই সময় ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বুহ মনসুর হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যান।

হাদি সরকারের ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘাতে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

বর্তমানে রাজধানী সানা, লোহিত সাগর উপকূল ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিসহ উত্তর ইয়েমেনের বড় একটি অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার।

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুথিদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে গত জুলাই থেকে সেনাবাহিনীর অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: আরব নিউজ