১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিশুদের নিজেদের প্রতিভা ও গুণাবলি বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি পরিবারের ভিত্তি যেমন সন্তানদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ওপর নির্ভর করে, তেমনি দেশের ভবিষ্যৎও নির্ভর করে শিশুদের সঠিক বিকাশের ওপর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিশুদের কথা শোনার আহ্বান

অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়োজনটি মূলত শিশুদের নিয়ে। তাই বড়দের বক্তব্যের চেয়ে শিশুদের কথা শোনাই হওয়া উচিত অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, শিশু একাডেমির কার্যক্রম শুরুর সময় তিনিও শিশু হিসেবে সেখানে এসেছিলেন। শিশু একাডেমির ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তার ও ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের একটি গল্প ও ছোট ভাইয়ের লেখা দেখে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসার কথাও উল্লেখ করেন।

পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সংস্কৃতি

শিশুদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোনো শিশু ছবি আঁকতে, কবিতা আবৃত্তি করতে, গান গাইতে, নাচতে কিংবা বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করতে পারে। প্রত্যেক শিশুর ভেতরেই কোনো না কোনো গুণ রয়েছে। সেই গুণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ সুযোগ।

গিটার ও কিবোর্ড শেখার নিজের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি শিশুদেরও পছন্দের বাদ্যযন্ত্র ভালোভাবে শেখার পরামর্শ দেন। একইভাবে গান, নাচ, কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি আগ্রহ থাকলে সেসব ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান।

২২ লাখ শিশুর ফুটবল প্রতিযোগিতা

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রথমবারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে সারাদেশে ২২ লাখ শিশু—১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে—ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমও নতুন করে চালু করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া আয়োজন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

গ্রামেও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলায় দক্ষ করে তুলতে হবে। একটি শিশুর অন্তত একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

তবে দেশের অনেক পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যে কোনো না কোনো গুণ রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সেই গুণ বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।

২০২৭ বা ২০২৮ সাল থেকে নতুন উদ্যোগ

সরকারপ্রধান জানান, শিশুদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করার কাজ মোটামুটি গুছিয়ে আনা হয়েছে। ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রস্তুত করতে স্কুল পর্যায় থেকেই অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে। তৃতীয় একটি ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা ও কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় শিশুদের সহায়তা করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মানবিক মানুষ হওয়ার আহ্বান

শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, তাদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

শিশুদের দেশের প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকার গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে।

প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৫৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

শিশুদের নিজেদের প্রতিভা ও গুণাবলি বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি পরিবারের ভিত্তি যেমন সন্তানদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ওপর নির্ভর করে, তেমনি দেশের ভবিষ্যৎও নির্ভর করে শিশুদের সঠিক বিকাশের ওপর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিশুদের কথা শোনার আহ্বান

অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়োজনটি মূলত শিশুদের নিয়ে। তাই বড়দের বক্তব্যের চেয়ে শিশুদের কথা শোনাই হওয়া উচিত অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, শিশু একাডেমির কার্যক্রম শুরুর সময় তিনিও শিশু হিসেবে সেখানে এসেছিলেন। শিশু একাডেমির ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তার ও ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের একটি গল্প ও ছোট ভাইয়ের লেখা দেখে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসার কথাও উল্লেখ করেন।

পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সংস্কৃতি

শিশুদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোনো শিশু ছবি আঁকতে, কবিতা আবৃত্তি করতে, গান গাইতে, নাচতে কিংবা বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করতে পারে। প্রত্যেক শিশুর ভেতরেই কোনো না কোনো গুণ রয়েছে। সেই গুণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ সুযোগ।

গিটার ও কিবোর্ড শেখার নিজের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি শিশুদেরও পছন্দের বাদ্যযন্ত্র ভালোভাবে শেখার পরামর্শ দেন। একইভাবে গান, নাচ, কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি আগ্রহ থাকলে সেসব ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান।

২২ লাখ শিশুর ফুটবল প্রতিযোগিতা

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রথমবারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে সারাদেশে ২২ লাখ শিশু—১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে—ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমও নতুন করে চালু করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া আয়োজন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

গ্রামেও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলায় দক্ষ করে তুলতে হবে। একটি শিশুর অন্তত একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

তবে দেশের অনেক পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যে কোনো না কোনো গুণ রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সেই গুণ বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।

২০২৭ বা ২০২৮ সাল থেকে নতুন উদ্যোগ

সরকারপ্রধান জানান, শিশুদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করার কাজ মোটামুটি গুছিয়ে আনা হয়েছে। ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রস্তুত করতে স্কুল পর্যায় থেকেই অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে। তৃতীয় একটি ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা ও কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় শিশুদের সহায়তা করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মানবিক মানুষ হওয়ার আহ্বান

শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, তাদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান।

শিশুদের দেশের প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকার গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে।

প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।