০৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাখাইনে এখনও গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে: আইআইএমএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে এখনও গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার বিষয়ক স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা (আইআইএমএম)। সংস্থাটি বলছে, বিপুল পরিমাণ প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পর তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক বলে জানিয়েছে আইআইএমএম। চলমান সংঘাতে সাধারণ মানুষ বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ, ড্রোন হামলা, নির্বিচারে আটক, যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক অপরাধ, নির্যাতন এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে।

মানবিক সহায়তাতেও বাধা

আইআইএমএমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের অনেক এলাকায় সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট রয়েছে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বিভিন্ন ধরনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সম্ভাব্য প্রত্যাবাসন নিয়ে আঞ্চলিক সরকারগুলোর সাম্প্রতিক বক্তব্য তারা বিবেচনায় নিয়েছে।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাখাইন রাজ্য নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত নয় বলে মনে করছে আইআইএমএম।

প্রত্যাবাসনের আগে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান

আইআইএমএমের মতে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর আগে মিয়ানমারের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর চলমান অপরাধ ও সহিংসতা বন্ধ করা জরুরি। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রায় ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নতুন করে মানুষ পালিয়ে আসার ঘটনাও ঘটছে।

এদিকে জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ তৈরি, মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাখাইনে এখনও গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে: আইআইএমএম

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে এখনও গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার বিষয়ক স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা (আইআইএমএম)। সংস্থাটি বলছে, বিপুল পরিমাণ প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পর তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক বলে জানিয়েছে আইআইএমএম। চলমান সংঘাতে সাধারণ মানুষ বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ, ড্রোন হামলা, নির্বিচারে আটক, যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক অপরাধ, নির্যাতন এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে।

মানবিক সহায়তাতেও বাধা

আইআইএমএমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের অনেক এলাকায় সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট রয়েছে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বিভিন্ন ধরনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সম্ভাব্য প্রত্যাবাসন নিয়ে আঞ্চলিক সরকারগুলোর সাম্প্রতিক বক্তব্য তারা বিবেচনায় নিয়েছে।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাখাইন রাজ্য নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত নয় বলে মনে করছে আইআইএমএম।

প্রত্যাবাসনের আগে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান

আইআইএমএমের মতে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর আগে মিয়ানমারের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ওপর চলমান অপরাধ ও সহিংসতা বন্ধ করা জরুরি। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রায় ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নতুন করে মানুষ পালিয়ে আসার ঘটনাও ঘটছে।

এদিকে জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ তৈরি, মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো।