পিতলের রুলি-বালা তৈরি করে নওগাঁর কামালের দৃষ্টান্ত স্থাপন
- আপডেট সময় : ০৯:২৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
পিতলের রুলি-বালা তৈরি করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নওগাঁর শেখ কামাল। সোনার দাম যখন বেড়েই চলেছে তখন বিকল্প হিসেবে এই গহনার কদর বেড়েছে নারীদের কাছে। রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। শুধু তাই নয়, রুলি-বালার এই কারখানায় পুরুষের পাশাপাশি নারীরা কাজ করে বাড়তি আয় করে সংসারে ফেরাচ্ছেন স্বচ্ছলতা।
প্রথম দেখায় মনে হতে পারে যেন কোনো সোনার খনিতে কাজ করছেন শ্রমিকরা। কেউ পিতলের পাত সাইজ করে কাটছেন, মুখ জোড়া দিচ্ছেন, কেউ আগুনে পোড়াচ্ছেন আবার কেউ ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে চুড়িতে সোনার রঙ দিচ্ছেন। সোনা না পিতলের চুড়ি, তা সহজে কেউ বুঝতেই পারবে না।
নওগাঁ শহরের দপ্তরিপাড়ার স্বর্ণের কারিগর শেখ কামাল। ব্যবসায়িক মন্দ হওয়ায় ২০০৭ সালে পারি জমান বিদেশে। ২০১২ সালে দেশে ফিরে নিজের বেলকনিতে বসেই শুরু করেন এই রুলিবালা তৈরির কাজ। এরপর ধীরে ধীরে বাড়ে কারখানার পরিধি। এই কারখানায় এখন কাজ করছেন হাজারো শ্রমিক। যার অধিকাংশ নারী।
এই কারখানায় প্রতিদিন ১২শ’ জোড়া চুরি তৈরি হয়। রপ্তানি শুরু হয়েছে বিদেশেও। ব্যাপক সম্ভাবনাময় এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা দাবি জানান তিনি।
এই কারখানায় কাজ করে বাড়তি আয় করছেন নারী শ্রমিকরা। কেউ কাজ করেন দিন চুক্তিতে। এর মধ্য দিয়ে অনেকের সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা। লেখাপড়ার পাশাপাশি এই কাজ করে বাড়তি আয় করছেন শিক্ষার্থীরাও।
বিদেশে রফতানিসহ সব ধরণের সহযোগিতার কথা জানালেন বিসিকের এই কর্মকর্তা।
ব্যাপক সম্ভাবনাময় এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে, সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




















