০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আসছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রিকশাচালক থেকে মুচি- সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে (P2P) টাকা লেনদেনের সুযোগ চালু হচ্ছে। এর ফলে রিকশাচালক, মুচি ও সাধারণ মানুষ নিজস্ব কিউআর কোড ব্যবহার করে সহজেই টাকা লেনদেন করতে পারবেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে ব্যক্তি পর্যায়ে লেনদেন

গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, বাংলা কিউআরের বাস্তবায়ন চারটি ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী নভেম্বর থেকে এর চতুর্থ ধাপ শুরু হবে। এ পর্যায়ে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন।

তিনি বলেন, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগের মধ্যে আনা হবে। রিকশাচালক, মুচি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষেরও নিজস্ব কিউআর কোড থাকবে। ফলে প্রচলিত নগদ লেনদেনের পাশাপাশি সহজে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা আদান-প্রদান করা সম্ভব হবে।

বাংলা কিউআরের চার ধাপের বাস্তবায়ন

গভর্নর জানান, বাংলা কিউআর বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে সবার জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে এর কার্যক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তঃসংযোগভিত্তিক এ ধরনের লেনদেনব্যবস্থায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক লেনদেন সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। মাস্টারকার্ডের ব্যবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হলেও দেশের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশে (এনপিএসবি) প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৩০০টি লেনদেনের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

একসঙ্গে প্রায় ১০০টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাই শুরুতেই সবার জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করলে এর কার্যক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তবে দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি পাওয়া যায়।

বাংলা কিউআরে লেনদেনের চার্জ শূন্য

বাংলা কিউআর ব্যবস্থার প্রচার ও প্রসার বাড়াতে গত ১ অক্টোবর থেকে নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে বলে জানান গভর্নর। একই সঙ্গে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে লেনদেনের ক্ষেত্রে চার্জ শূন্য করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু দুই হাজার টাকা নয়, পাঁচ হাজার, এক লাখ কিংবা দুই লাখ টাকা—যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রেই এ চার্জ প্রযোজ্য হবে না। এর ফলে ডিজিটাল লেনদেনে মানুষের আগ্রহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

দৈনিক লেনদেন বেড়ে ১৮০ কোটি টাকা

বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়ার তথ্য তুলে ধরে মোস্তাকুর রহমান বলেন, জুনের প্রথম সপ্তাহে এ ব্যবস্থায় দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে প্রায় ১৮০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ কয়েক মাসের ব্যবধানে লেনদেনের পরিমাণ চার গুণের বেশি বেড়েছে।

তবে এ অগ্রগতিকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। গভর্নর বলেন, বাংলা কিউআরের যাত্রা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হলে এ ব্যবস্থাকে একটি যুক্তিসংগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করা যাবে।

ডিজিটাল জনপরিকাঠামো নিয়েও কাজ চলছে

বাংলা কিউআরের পাশাপাশি সরকারের ডিজিটাল জনপরিকাঠামো উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল জনপরিকাঠামোর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডিজিটাল পরিচয়, ডিজিটাল লেনদেন ও তথ্য বিনিময়।

ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থার মাধ্যমে জন্মের পর একজন মানুষের যে পরিচয় তৈরি হবে, তা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বহাল থাকবে। অন্যদিকে তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা কার্যকর হলে ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ নেওয়া কিংবা বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য বারবার ছোটাছুটি করতে হবে না।

পরিচয় নম্বরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সনদ ও তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টার ঘোষণার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি উদ্যোগ নিয়েও কাজ চলছে।

বাংলা কিউআর নিয়ে বিদেশেও আগ্রহ

বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছে। এর ফলে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও বাংলা কিউআর নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

গুগল, মেটা ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার সময়ও বাংলা কিউআর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারে গণমাধ্যমের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আসছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ

আপডেট সময় : ০১:০৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

রিকশাচালক থেকে মুচি- সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আনতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে (P2P) টাকা লেনদেনের সুযোগ চালু হচ্ছে। এর ফলে রিকশাচালক, মুচি ও সাধারণ মানুষ নিজস্ব কিউআর কোড ব্যবহার করে সহজেই টাকা লেনদেন করতে পারবেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নভেম্বর থেকে চালু হচ্ছে ব্যক্তি পর্যায়ে লেনদেন

গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, বাংলা কিউআরের বাস্তবায়ন চারটি ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী নভেম্বর থেকে এর চতুর্থ ধাপ শুরু হবে। এ পর্যায়ে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন।

তিনি বলেন, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগের মধ্যে আনা হবে। রিকশাচালক, মুচি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষেরও নিজস্ব কিউআর কোড থাকবে। ফলে প্রচলিত নগদ লেনদেনের পাশাপাশি সহজে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা আদান-প্রদান করা সম্ভব হবে।

বাংলা কিউআরের চার ধাপের বাস্তবায়ন

গভর্নর জানান, বাংলা কিউআর বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে সবার জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে এর কার্যক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তঃসংযোগভিত্তিক এ ধরনের লেনদেনব্যবস্থায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক লেনদেন সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। মাস্টারকার্ডের ব্যবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হলেও দেশের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশে (এনপিএসবি) প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৩০০টি লেনদেনের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

একসঙ্গে প্রায় ১০০টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে এ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাই শুরুতেই সবার জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করলে এর কার্যক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তবে দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি পাওয়া যায়।

বাংলা কিউআরে লেনদেনের চার্জ শূন্য

বাংলা কিউআর ব্যবস্থার প্রচার ও প্রসার বাড়াতে গত ১ অক্টোবর থেকে নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে বলে জানান গভর্নর। একই সঙ্গে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে লেনদেনের ক্ষেত্রে চার্জ শূন্য করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু দুই হাজার টাকা নয়, পাঁচ হাজার, এক লাখ কিংবা দুই লাখ টাকা—যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রেই এ চার্জ প্রযোজ্য হবে না। এর ফলে ডিজিটাল লেনদেনে মানুষের আগ্রহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

দৈনিক লেনদেন বেড়ে ১৮০ কোটি টাকা

বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়ার তথ্য তুলে ধরে মোস্তাকুর রহমান বলেন, জুনের প্রথম সপ্তাহে এ ব্যবস্থায় দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে প্রায় ১৮০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ কয়েক মাসের ব্যবধানে লেনদেনের পরিমাণ চার গুণের বেশি বেড়েছে।

তবে এ অগ্রগতিকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। গভর্নর বলেন, বাংলা কিউআরের যাত্রা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হলে এ ব্যবস্থাকে একটি যুক্তিসংগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করা যাবে।

ডিজিটাল জনপরিকাঠামো নিয়েও কাজ চলছে

বাংলা কিউআরের পাশাপাশি সরকারের ডিজিটাল জনপরিকাঠামো উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল জনপরিকাঠামোর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডিজিটাল পরিচয়, ডিজিটাল লেনদেন ও তথ্য বিনিময়।

ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থার মাধ্যমে জন্মের পর একজন মানুষের যে পরিচয় তৈরি হবে, তা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বহাল থাকবে। অন্যদিকে তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা কার্যকর হলে ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ নেওয়া কিংবা বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য বারবার ছোটাছুটি করতে হবে না।

পরিচয় নম্বরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সনদ ও তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টার ঘোষণার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি উদ্যোগ নিয়েও কাজ চলছে।

বাংলা কিউআর নিয়ে বিদেশেও আগ্রহ

বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছে। এর ফলে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও বাংলা কিউআর নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

গুগল, মেটা ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার সময়ও বাংলা কিউআর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারে গণমাধ্যমের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।