০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

চমক রেখে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা বিসিবির

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আয়োজিত এই সিরিজে বাংলাদেশের দলে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন মিস্ট্রি স্পিনার আলিস আল ইসলাম। লিটন দাসকে অধিনায়ক এবং তাওহীদ হৃদয়কে সহ-অধিনায়ক করে দল সাজানো হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঘোষিত এই দল নিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এরপর ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়াই হবে বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য।

দলে চমক আলিস আল ইসলাম

বাংলাদেশের স্কোয়াডে আলিস আল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মিস্ট্রি স্পিনার হিসেবে পরিচিত এই ক্রিকেটার ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করার দক্ষতার জন্য পরিচিত। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কার্যকর স্পিন বোলিং ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। তাই আলিসকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর ভূমিকা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ম্যাচের পরিস্থিতি ও পারফরম্যান্সের ওপর। প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের বিপক্ষে নিজের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পেলে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সম্ভাবনা থাকবে তাঁর সামনে।

লিটনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভিযান

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন লিটন দাস। তাঁর সঙ্গে সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়। ব্যাটিং বিভাগে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে ঘোষিত দলে।

দলে রয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। পাশাপাশি মিডল অর্ডারে অবদান রাখার জন্য রয়েছেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের ব্যাটিং লাইনআপে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সিরিজে ভালো ফল পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বড় সংগ্রহ গড়া এবং চাপের মুখে লক্ষ্য তাড়া করার ক্ষেত্রে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে আফগানিস্তানের স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সতর্ক ও পরিকল্পিত ক্রিকেট খেলতে হবে।

অলরাউন্ডার ও স্পিন বিভাগে নজর

বাংলাদেশের দলে অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাইফ উদ্দিন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও তাঁদের অবদান দলের ভারসাম্য বাড়াতে পারে। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী তাঁদের ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে টিম ম্যানেজমেন্টের সামনে।

স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম ও আলিস আল ইসলাম। প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপের ধরন এবং উইকেটের আচরণ বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের ব্যবহার করা হতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে স্পিনাররা কতটা কার্যকর হন, সেটিও সিরিজে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হবে।

পেস আক্রমণে তাসকিন-মোস্তাফিজ

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে রয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। নতুন বলে উইকেট নেওয়া, মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ এবং শেষ দিকে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তাসকিনের গতি, মোস্তাফিজের বৈচিত্র্য এবং হাসান ও শরিফুলের বোলিং দক্ষতা কাজে লাগাতে পারলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চাপে রাখা সম্ভব। তবে এ জন্য বোলারদের লাইন-লেংথ বজায় রাখার পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশের দল একনজরে

ঘোষিত তালিকায় রয়েছেন লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ উদ্দিন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম ও আলিস আল ইসলাম।

ত্রিদেশীয় সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ।

এরপর ১৯ অক্টোবর আবুধাবিতে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। ২১ অক্টোবর শারজাহতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। আর ২৩ অক্টোবর শারজাহতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

সূচি:

  • ১৭ অক্টোবর: বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে, আবুধাবি
  • ১৯ অক্টোবর: আফগানিস্তান বনাম জিম্বাবুয়ে, আবুধাবি
  • ২১ অক্টোবর: আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ, শারজাহ
  • ২৩ অক্টোবর: ফাইনাল, শারজাহ

ফাইনালের পথে কঠিন পরীক্ষা

আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সামনে নিজেদের প্রস্তুতি ও দলীয় সামর্থ্য যাচাইয়ের সুযোগ থাকছে। আফগানিস্তানের স্পিন আক্রমণ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট মোকাবিলায় ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই ভালো করতে হবে টাইগারদের।

বিশেষ করে শুরুর ম্যাচে জয় পেলে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। অন্যদিকে ব্যাটিংয়ে দ্রুত উইকেট হারানো কিংবা বোলিংয়ে অতিরিক্ত রান দেওয়ার মতো ভুল করলে পরের ম্যাচগুলোতে চাপ বাড়তে পারে। তাই প্রতিটি ম্যাচেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা জরুরি।

সব মিলিয়ে লিটন দাসের নেতৃত্বে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। একই সঙ্গে আলিস আল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি এবং স্পিন আক্রমণের কার্যকারিতা সিরিজে বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চমক রেখে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের দল ঘোষণা বিসিবির

আপডেট সময় : ০৪:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আয়োজিত এই সিরিজে বাংলাদেশের দলে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন মিস্ট্রি স্পিনার আলিস আল ইসলাম। লিটন দাসকে অধিনায়ক এবং তাওহীদ হৃদয়কে সহ-অধিনায়ক করে দল সাজানো হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঘোষিত এই দল নিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এরপর ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়াই হবে বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য।

দলে চমক আলিস আল ইসলাম

বাংলাদেশের স্কোয়াডে আলিস আল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মিস্ট্রি স্পিনার হিসেবে পরিচিত এই ক্রিকেটার ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করার দক্ষতার জন্য পরিচিত। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কার্যকর স্পিন বোলিং ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। তাই আলিসকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁর ভূমিকা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ম্যাচের পরিস্থিতি ও পারফরম্যান্সের ওপর। প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের বিপক্ষে নিজের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পেলে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সম্ভাবনা থাকবে তাঁর সামনে।

লিটনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভিযান

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন লিটন দাস। তাঁর সঙ্গে সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন তাওহীদ হৃদয়। ব্যাটিং বিভাগে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে ঘোষিত দলে।

দলে রয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। পাশাপাশি মিডল অর্ডারে অবদান রাখার জন্য রয়েছেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের ব্যাটিং লাইনআপে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সিরিজে ভালো ফল পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বড় সংগ্রহ গড়া এবং চাপের মুখে লক্ষ্য তাড়া করার ক্ষেত্রে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে আফগানিস্তানের স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সতর্ক ও পরিকল্পিত ক্রিকেট খেলতে হবে।

অলরাউন্ডার ও স্পিন বিভাগে নজর

বাংলাদেশের দলে অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাইফ উদ্দিন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও তাঁদের অবদান দলের ভারসাম্য বাড়াতে পারে। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী তাঁদের ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে টিম ম্যানেজমেন্টের সামনে।

স্পিন বিভাগে রয়েছেন রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম ও আলিস আল ইসলাম। প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপের ধরন এবং উইকেটের আচরণ বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের ব্যবহার করা হতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনে স্পিনাররা কতটা কার্যকর হন, সেটিও সিরিজে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হবে।

পেস আক্রমণে তাসকিন-মোস্তাফিজ

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে রয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। নতুন বলে উইকেট নেওয়া, মাঝের ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ এবং শেষ দিকে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তাসকিনের গতি, মোস্তাফিজের বৈচিত্র্য এবং হাসান ও শরিফুলের বোলিং দক্ষতা কাজে লাগাতে পারলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চাপে রাখা সম্ভব। তবে এ জন্য বোলারদের লাইন-লেংথ বজায় রাখার পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশের দল একনজরে

ঘোষিত তালিকায় রয়েছেন লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ উদ্দিন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম ও আলিস আল ইসলাম।

ত্রিদেশীয় সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ।

এরপর ১৯ অক্টোবর আবুধাবিতে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। ২১ অক্টোবর শারজাহতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। আর ২৩ অক্টোবর শারজাহতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

সূচি:

  • ১৭ অক্টোবর: বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে, আবুধাবি
  • ১৯ অক্টোবর: আফগানিস্তান বনাম জিম্বাবুয়ে, আবুধাবি
  • ২১ অক্টোবর: আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ, শারজাহ
  • ২৩ অক্টোবর: ফাইনাল, শারজাহ

ফাইনালের পথে কঠিন পরীক্ষা

আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সামনে নিজেদের প্রস্তুতি ও দলীয় সামর্থ্য যাচাইয়ের সুযোগ থাকছে। আফগানিস্তানের স্পিন আক্রমণ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট মোকাবিলায় ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই ভালো করতে হবে টাইগারদের।

বিশেষ করে শুরুর ম্যাচে জয় পেলে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। অন্যদিকে ব্যাটিংয়ে দ্রুত উইকেট হারানো কিংবা বোলিংয়ে অতিরিক্ত রান দেওয়ার মতো ভুল করলে পরের ম্যাচগুলোতে চাপ বাড়তে পারে। তাই প্রতিটি ম্যাচেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা জরুরি।

সব মিলিয়ে লিটন দাসের নেতৃত্বে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। একই সঙ্গে আলিস আল ইসলামের অন্তর্ভুক্তি এবং স্পিন আক্রমণের কার্যকারিতা সিরিজে বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠতে পারে।