০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এসএ পরিবহনের গাড়ি আটকে রাতভর হয়রানী শেষে ভুয়া মামলা

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪
  • / ৩৩২৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অভিযানের নামে সাধারণ মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কতিপয় অতি উৎসাহী সেনা-সদস্যদের বিরুদ্ধে। মাগুরা থেকে দেশের জনপ্রিয় কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান এসএ পরিবহনের গাড়ি আটকে রাতভর হয়রানী শেষে ভুয়া মামলায় গ্রাহকের বিপুল পরিমাণ পণ্য ও গাড়ি জব্দ করেছে তারা। এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাহকের বুকিং করা বৈধ পণ্যকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে পণ্য ও গাড়ি জব্দ করায় হয়রানীর মুখে পড়েছেন শত শত গ্রাহক। ব্যাহত হয়েছে জরুরী সেবা।

দেশের শীর্ষ স্থানীয় সেবামুলক প্রতিষ্ঠান এস এ পরিবহন। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জরুরী চিঠি, ডকুমেন্ট, মালামাল পাঠানোর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান এটি। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রতিটি জেলায় সুনামের সাথে কাজ করছে এস এ পরিবহন। গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে পার্সেল সার্ভিসের সকল নিয়ম মেনে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিয়ে আসছে। কিন্তু এবার সেই প্রতিষ্ঠানটিকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে সেনাবাহিনীর কতিপয় অতিউৎসাহী সদস্যদের বিরুদ্ধে।

সোমবার রাত ১১ টার দিকে এস এ পরিবহণের একটি ডাকবাহী গাড়ি ঢাকায় যাওয়ার পথে মাগুরার ভায়না মোড় পৌঁছালে ঝিনাইদহ সদর আর্মি ক্যাম্পের টহলটিম গাড়িটির গতিরোধ করে। একপর্যায়ে অস্ত্রের মুখে গাড়িটি মাগুরা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ঝিনাইদহ ক্যাম্পে নিয়ে আসে। চালক ও হেলপারের মোবাইল কেড়ে নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় তারা। রাতভর নানান নাটকীয়তা শেষে পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে গাড়ী থেকে কিছু মালামাল জব্দ দেখিয়ে গাড়ীটি আটক দেখায়। তবে গাড়ীতে অভেধ পণ্য থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এসএ পরিবহনের কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গাড়ী থেকে যেসব মালামাল জব্দ করা হয়েছে তার সমস্ত বৈধ ডকুমেন্ট রয়েছে। কিন্তু এসব কোন কিছুই আমলে না নিয়ে শুধুমাত্র হয়রানীর উদ্দেশ্যেই গাড়িটি আটক করা হয়।
সট: আবুল কাশেম, ম্যানেজার, এসএ পরিবহন, যশোর।
এস এ পরিবহণ কর্তৃপক্ষ বলছে, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে গাড়িটি আটক করে সেনাবাহিনীর অতিউৎসাহী কতিপয় সদস্য। এতে জরুরী সেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হয়রানীর শিকার হয়েছে শত শত সাধারণ গ্রাহক।

গাড়িটি থেকে যে পণ্য আটক করা হয়েছে তা বাংলাদেশের প্রতিটি দোকানে বৈধ পণ্য হিসেবে প্রকাশ্যে বেচাকেনা হয় বলেও দাবি করেন এস পরিবহনের কর্মকর্তারা।
নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছে এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এসএ পরিবহনের গাড়ি আটকে রাতভর হয়রানী শেষে ভুয়া মামলা

আপডেট সময় : ১১:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

অভিযানের নামে সাধারণ মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কতিপয় অতি উৎসাহী সেনা-সদস্যদের বিরুদ্ধে। মাগুরা থেকে দেশের জনপ্রিয় কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান এসএ পরিবহনের গাড়ি আটকে রাতভর হয়রানী শেষে ভুয়া মামলায় গ্রাহকের বিপুল পরিমাণ পণ্য ও গাড়ি জব্দ করেছে তারা। এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রাহকের বুকিং করা বৈধ পণ্যকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে পণ্য ও গাড়ি জব্দ করায় হয়রানীর মুখে পড়েছেন শত শত গ্রাহক। ব্যাহত হয়েছে জরুরী সেবা।

দেশের শীর্ষ স্থানীয় সেবামুলক প্রতিষ্ঠান এস এ পরিবহন। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জরুরী চিঠি, ডকুমেন্ট, মালামাল পাঠানোর নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান এটি। দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রতিটি জেলায় সুনামের সাথে কাজ করছে এস এ পরিবহন। গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে পার্সেল সার্ভিসের সকল নিয়ম মেনে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিয়ে আসছে। কিন্তু এবার সেই প্রতিষ্ঠানটিকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে সেনাবাহিনীর কতিপয় অতিউৎসাহী সদস্যদের বিরুদ্ধে।

সোমবার রাত ১১ টার দিকে এস এ পরিবহণের একটি ডাকবাহী গাড়ি ঢাকায় যাওয়ার পথে মাগুরার ভায়না মোড় পৌঁছালে ঝিনাইদহ সদর আর্মি ক্যাম্পের টহলটিম গাড়িটির গতিরোধ করে। একপর্যায়ে অস্ত্রের মুখে গাড়িটি মাগুরা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ঝিনাইদহ ক্যাম্পে নিয়ে আসে। চালক ও হেলপারের মোবাইল কেড়ে নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় তারা। রাতভর নানান নাটকীয়তা শেষে পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে গাড়ী থেকে কিছু মালামাল জব্দ দেখিয়ে গাড়ীটি আটক দেখায়। তবে গাড়ীতে অভেধ পণ্য থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এসএ পরিবহনের কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গাড়ী থেকে যেসব মালামাল জব্দ করা হয়েছে তার সমস্ত বৈধ ডকুমেন্ট রয়েছে। কিন্তু এসব কোন কিছুই আমলে না নিয়ে শুধুমাত্র হয়রানীর উদ্দেশ্যেই গাড়িটি আটক করা হয়।
সট: আবুল কাশেম, ম্যানেজার, এসএ পরিবহন, যশোর।
এস এ পরিবহণ কর্তৃপক্ষ বলছে, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে গাড়িটি আটক করে সেনাবাহিনীর অতিউৎসাহী কতিপয় সদস্য। এতে জরুরী সেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হয়রানীর শিকার হয়েছে শত শত সাধারণ গ্রাহক।

গাড়িটি থেকে যে পণ্য আটক করা হয়েছে তা বাংলাদেশের প্রতিটি দোকানে বৈধ পণ্য হিসেবে প্রকাশ্যে বেচাকেনা হয় বলেও দাবি করেন এস পরিবহনের কর্মকর্তারা।
নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছে এসএ পরিবহন কর্তৃপক্ষ।