০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা: এমপি নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে আবারও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ আদেশ দেন।

এর আগে চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাকে আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ জানায়, গাজী নজরুল ইসলামকে এর আগে জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম খাতুনের পারিবারিক জীবন ও মৃত্যুর বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মরিয়ম খাতুন খুব আবেগপ্রবণ ছিলেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝামেলা ও অভিমানের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য উঠে এসেছে।

তবে মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা আরও বিস্তারিতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পুলিশের দাবি, মামলার বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনে গাজী নজরুল ইসলামকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি

রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, আগের চার দিনের জিজ্ঞাসাবাদে মামলার তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মামলাটি স্পর্শকাতর এবং এর সঙ্গে একজন সংসদ সদস্যের নাম জড়িত। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা জানতে তদন্তের স্বার্থে গাজী নজরুল ইসলামকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ সময় আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করেন।

জামিন চেয়ে যা বললেন আসামিপক্ষ

অন্যদিকে গাজী নজরুল ইসলামের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান রিমান্ড বাতিল করে তার জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, তার মক্কেল হৃদরোগে আক্রান্ত এবং এরই মধ্যে তার রিং পরানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাকে নতুন করে পুলিশ হেফাজতে না দিয়ে প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে।

তিনি মামলার অভিযোগের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন। একই সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে রিমান্ডের আবেদন নাকচ করার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানান।

তবে উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গাজী নজরুল ইসলামকে আরও চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

যেভাবে শুরু হয় মামলা

মামলার সূত্রপাত হয় গত ২০ সেপ্টেম্বর। ওই দিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ছাড়াও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।

মামলার পর তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন তথ্য যাচাই শুরু করে। একই সঙ্গে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রথম দফায় গাজী নজরুলের রিমান্ড

মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন।

একই মামলায় তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামেরও এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদা ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর মামলার আরেক আসামি মরিয়ম খাতুনের মামা ওবায়দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে ২৩ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে মৃত্যুর কারণ

মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হলেও ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পারিবারিক বিরোধ, অভিমান এবং মৃত্যুর আগে ও পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় রয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামকে নতুন করে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে এসব বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য আসামি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

তদন্ত শেষে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে নতুন করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ায় গাজী নজরুল ইসলামকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ সময় মামলার অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধ এবং মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর আগে ও পরের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে তথ্য যাচাই করবে তদন্তকারী দল।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা: এমপি নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় : ০৫:৫১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে আবারও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ আদেশ দেন।

এর আগে চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাকে আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ জানায়, গাজী নজরুল ইসলামকে এর আগে জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম খাতুনের পারিবারিক জীবন ও মৃত্যুর বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মরিয়ম খাতুন খুব আবেগপ্রবণ ছিলেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝামেলা ও অভিমানের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য উঠে এসেছে।

তবে মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা আরও বিস্তারিতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পুলিশের দাবি, মামলার বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনে গাজী নজরুল ইসলামকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ কারণে তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি

রিমান্ড শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, আগের চার দিনের জিজ্ঞাসাবাদে মামলার তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মামলাটি স্পর্শকাতর এবং এর সঙ্গে একজন সংসদ সদস্যের নাম জড়িত। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা জানতে তদন্তের স্বার্থে গাজী নজরুল ইসলামকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ সময় আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করেন।

জামিন চেয়ে যা বললেন আসামিপক্ষ

অন্যদিকে গাজী নজরুল ইসলামের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান রিমান্ড বাতিল করে তার জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, তার মক্কেল হৃদরোগে আক্রান্ত এবং এরই মধ্যে তার রিং পরানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাকে নতুন করে পুলিশ হেফাজতে না দিয়ে প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে।

তিনি মামলার অভিযোগের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন। একই সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে রিমান্ডের আবেদন নাকচ করার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানান।

তবে উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গাজী নজরুল ইসলামকে আরও চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

যেভাবে শুরু হয় মামলা

মামলার সূত্রপাত হয় গত ২০ সেপ্টেম্বর। ওই দিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম ছাড়াও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।

মামলার পর তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন তথ্য যাচাই শুরু করে। একই সঙ্গে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রথম দফায় গাজী নজরুলের রিমান্ড

মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন।

একই মামলায় তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামেরও এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদা ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর মামলার আরেক আসামি মরিয়ম খাতুনের মামা ওবায়দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে ২৩ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে মৃত্যুর কারণ

মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হলেও ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পারিবারিক বিরোধ, অভিমান এবং মৃত্যুর আগে ও পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় রয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামকে নতুন করে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে এসব বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য আসামি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

তদন্ত শেষে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে নতুন করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ায় গাজী নজরুল ইসলামকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ সময় মামলার অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধ এবং মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর আগে ও পরের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে তথ্য যাচাই করবে তদন্তকারী দল।