০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইনে ৪৭ কোটি টাকার বিক্রি, ভ্যাট ফাঁকি ৩.১৯ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইনভিত্তিক প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশে ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার অনিয়মিত বিক্রয়ের তথ্য পেয়েছে ঢাকা পশ্চিম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

অভিযান চালিয়ে ডিজিটাল তথ্য যাচাই

এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশে নিবারক কার্যক্রম পরিচালনা করে ঢাকা পশ্চিম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। প্রতিষ্ঠানটি পল্লবী বিভাগীয় দপ্তরের আওতাধীন।

অভিযানের সময় মূসক-১২.১ প্রদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হয়। এ সময় ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কুরিয়ার সার্ভিস এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা বিভিন্ন দলিলপত্রও পরীক্ষা করা হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ভ্যাট ফাঁকির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে এনবিআর।

পেনড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ, নথি জব্দ

ভ্যাট ফাঁকির বিষয়টি আরও যাচাই করতে প্রতিষ্ঠানের ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য দলিলপত্রে থাকা প্রয়োজনীয় তথ্য পেনড্রাইভের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। পরে এসব তথ্য ও সংশ্লিষ্ট নথি জব্দ করা হয়।

এরপর জব্দ করা নথি ও ডিজিটাল তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হিসাবের মধ্যে অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।

৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা দলিলপত্র ও ডিজিটাল তথ্য পর্যালোচনা করে কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার নিয়মবহির্ভূত বিক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অনলাইনে ৪৭ কোটি টাকার বিক্রি, ভ্যাট ফাঁকি ৩.১৯ কোটি

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইনভিত্তিক প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশে ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার অনিয়মিত বিক্রয়ের তথ্য পেয়েছে ঢাকা পশ্চিম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

অভিযান চালিয়ে ডিজিটাল তথ্য যাচাই

এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশে নিবারক কার্যক্রম পরিচালনা করে ঢাকা পশ্চিম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট। প্রতিষ্ঠানটি পল্লবী বিভাগীয় দপ্তরের আওতাধীন।

অভিযানের সময় মূসক-১২.১ প্রদর্শন করে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হয়। এ সময় ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কুরিয়ার সার্ভিস এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকা বিভিন্ন দলিলপত্রও পরীক্ষা করা হয়। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ভ্যাট ফাঁকির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে এনবিআর।

পেনড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ, নথি জব্দ

ভ্যাট ফাঁকির বিষয়টি আরও যাচাই করতে প্রতিষ্ঠানের ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও অন্যান্য দলিলপত্রে থাকা প্রয়োজনীয় তথ্য পেনড্রাইভের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়। পরে এসব তথ্য ও সংশ্লিষ্ট নথি জব্দ করা হয়।

এরপর জব্দ করা নথি ও ডিজিটাল তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় হিসাবের মধ্যে অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।

৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা দলিলপত্র ও ডিজিটাল তথ্য পর্যালোচনা করে কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪৭ টাকার নিয়মবহির্ভূত বিক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, এসব বিক্রয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কোরিয়ান মার্ট বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।