৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এখন আর শুধু বাঙালির একার নয়

0

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এখন আর শুধু বাঙালির একার নয়। এটা সারা বিশ্বের সম্পদ। কারণ, ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে এটি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এতে একদিকে বাংলা ও বাঙালী জাতি নতুন উচ্চতায় পৌছেছে, তেমনি এই ভাষণ এখন গোটা বিশ্বে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার দলিল হিসেবেও অনন্তকাল রয়ে গেল এমনটাই মনে করেন ইউনেস্কো কমিশন ফর বাংলাদেশের সচিব মনজুর আহমেদ।

৪৬ বছর আগে ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ এসেছিল এক ধারাবাহিক রাজনৈতিক আন্দোলনের পটভূমিতে। লাঠি, ফেস্টুন হাতে লাখো মানুষ উত্তপ্ত শ্লোগানে মুখরিত তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান। অপেক্ষা স্বাধীনতার প্রশ্নে চূড়ান্ত কি সিদ্ধান্ত দেবেন বঙ্গবন্ধু? সেজন্যই ছিল বাঙ্গালির অধীর ।
কয়েক লাখ জনতার সমাবেশ হলেও শেখ মুজিবের ভাষণ চলাকলে পিনপতন নিরবতা। কারণ নতুন ইতিহাস রচিত হবে তা হয়তো শুধু জানতো প্রকৃতিই…।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দ্দী উদ্যান সে সময় পরিচিত ছিল রেসকোর্স ময়দান নামে। ইউনেস্কোর রেজিষ্ট্রারে কিভাবে এ ভাষণ জায়গা করে নিল তার খানিকটা ব্যাখ্যা করেন সেসময় এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত তৎকালীন ফরাসী রাষ্ট্রদুত। তার মতে, ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সম্পর্কে আগের চে আগ্রহ বাড়বে বিদেশীদের। যার প্রমাণ মিললো এই বিদেশীদের কথায়।

রেসকোর্স ময়দানের ১৮ মিনিটের বক্তৃতায় বিভাবে বঙ্গবন্ধু সম্মোহিত করেছিলেন একটি জাতিকে, সেটিই প্রাধান্য দিয়েছে ইউনেস্কো- এমনটা জানালেন বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সচিব। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতিতে মাথা উচু করে দাড়িয়ে থাকা এই স্তম্ভের উচ্চতা যেন আকাশ ছুলো। বঙ্গবন্ধু নেই, তবে দাড়িয়ে থাকা এই স্তম্ভই জানান দেবে আগামী প্রজন্মকে–এখানেই রচিত হয়েছিল অমর সে ইতিহাস।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন