০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

সীমান্ত হত্যা বন্ধের অঙ্গীকার বিজিবি-বিএসএফের

শেখ নাছির উদ্দীন, বেনাপোল
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৭৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ, চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ অঙ্গীকার করা হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পেট্রাপোলে বিএসএফের কনফারেন্স সেন্টারে বিজিবি ও বিএসএফের আঞ্চলিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ছয় সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, বিপিএমএস, বিজিওএম, পিএসসি। অন্যদিকে, সাত সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল শ্রী দলজিত সিং, আইপিএস।

সীমান্ত হত্যা বন্ধে গুরুত্বারোপ

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

এ সময় সীমান্ত এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দুই বাহিনীর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়। সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা।

শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার অঙ্গীকার

বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, বৈঠকে অনুষ্ঠিত আলোচনা এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত সীমান্তবর্তী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নেও এসব উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি মঙ্গলবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটে সফলভাবে শেষ হয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সীমান্ত হত্যা বন্ধের অঙ্গীকার বিজিবি-বিএসএফের

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ, চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ অঙ্গীকার করা হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পেট্রাপোলে বিএসএফের কনফারেন্স সেন্টারে বিজিবি ও বিএসএফের আঞ্চলিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ছয় সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, বিপিএমএস, বিজিওএম, পিএসসি। অন্যদিকে, সাত সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল শ্রী দলজিত সিং, আইপিএস।

সীমান্ত হত্যা বন্ধে গুরুত্বারোপ

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

এ সময় সীমান্ত এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দুই বাহিনীর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়। সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা।

শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার অঙ্গীকার

বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, বৈঠকে অনুষ্ঠিত আলোচনা এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত সীমান্তবর্তী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নেও এসব উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি মঙ্গলবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটে সফলভাবে শেষ হয়।