সারাদেশে মাঝারি বৃষ্টি থাকবে শুক্রবার পর্যন্ত

0

কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় তিতলি’র প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে। বন্দরে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলার প্রস্তুতি সম্পর্কে জরুরি সভা করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। সভায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা, ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহি:নোঙ্গরে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। পানিপথে পণ্য পরিবহনও বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ।
সাগরে চলাচল করা ছোট আকৃতির লাইটার জাহাজগুলোকে বন্দর চ্যানেলের বাইরে কর্ণফূলী নদীতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এদিকে, নিম্নচাপের প্রভাবে গত তিন দিন ধরে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে চট্টগ্রামে। টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের আশংকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারিদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। পাহাড়ি এলাকাগুলোর কাছাকাছি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা কর হয়েছে।

এদিকে, বাগেরহাটে মঙ্গলবার রাত থেকে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাস বইছে। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারগুলো নিরাপদে অবস্থান করছে। জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস জানন, দুর্যোগ মোকাবেলা করতে প্রশাসনের প্রস্তুতি হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ইতিমধ্যে একটি জরুরি সভা করেছে। তিনি জানান, এজন্য স্বেচ্ছাসেবক, মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল প্রস্তুত রয়েছে। উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট ২৩৪টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন