০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

সর্বোচ্চ ৭.১১ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনবে বিতরণ সংস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেসরকারি উদ্যোগে বাণিজ্যিক বা মার্চেন্ট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অন্যতম বড় বাধা ছিল উৎপাদিত বিদ্যুতের বিক্রয়মূল্য ও জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নির্ধারণ। অবশেষে এ বিষয়ে মূল্য ও মাশুল নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে দেশে বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি জটিলতা দূর হলো।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গণশুনানি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে বিইআরসি এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে।

ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা

বিইআরসির নতুন আদেশ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে কিনবে।

৩৩ কিলোভোল্ট স্তরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে। অন্যদিকে ১৩২ কিলোভোল্ট স্তরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ টাকা ১১ পয়সা।

নতুন এই মূল্য আগামী অক্টোবর থেকেই কার্যকর হবে।

জাতীয় গ্রিড ব্যবহারে নির্ধারিত মাশুল

বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্যও মাশুল নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।

আদেশ অনুযায়ী, ২৩০ কিলোভোল্ট স্তরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৩৭ দশমিক ৮৯ পয়সা সঞ্চালন মাশুল দিতে হবে। ১৩২ কিলোভোল্ট স্তরে এই মাশুল ৩৮ দশমিক ২৫ পয়সা এবং ৩৩ কিলোভোল্ট স্তরে ৩৮ দশমিক ৯৭ পয়সা।

এই অর্থ পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশকে দিতে হবে।

পিডিবির সমন্বয় ও নিষ্পত্তি মাশুল ৫ পয়সা

নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় ও বিলিংয়ের জন্য একক ক্রেতা হিসেবে পিডিবির সমন্বয় ও নিষ্পত্তি মাশুলও নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৫ পয়সা মাশুল দিতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা, বিলিং, বিদ্যুতের হিসাব-নিকাশ এবং অর্থ নিষ্পত্তির বিভিন্ন শর্তও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবের পর গণশুনানি

বিইআরসি জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ এপ্রিল পিডিবি এ বিষয়ে একটি সমন্বিত প্রস্তাব জমা দেয়। পরে ৭ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ এবং ছয়টি বিতরণ সংস্থা পৃথক প্রস্তাব দেয়।

এসব প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনার পর গত ২৩ আগস্ট গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বিভিন্ন পক্ষের দেওয়া তথ্য ও বক্তব্য বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত আদেশ দেয় কমিশন।

সরাসরি বিদ্যুৎ কেনার সুযোগ

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ দিয়েছে। এর ফলে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান বেসরকারি উৎপাদনকারীর কাছ থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ কিনতে পারবে।

এ ব্যবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতা নিজেদের মধ্যে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা বিদ্যুতের দাম এবং জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির।

এ ছাড়া বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা যাবে।

দেশের যেকোনো স্থানে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ

নতুন ব্যবস্থায় দেশের যেকোনো এলাকায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে অন্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ জন্য নির্ধারিত সঞ্চালন ও বিতরণ মাশুল পরিশোধ করতে হবে।

এর মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

২০২৫ সালের নীতিতে আইনি স্বীকৃতি

গত বছরের অক্টোবরে সরকার ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর নীতি, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করে।

ওই নীতিতে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ কেনাবেচার চুক্তি এবং জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

সৌর, বায়ু, জীবভর ও বর্জ্যসহ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উৎসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে এই নীতির আওতায় সবুজ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তবে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য বিইআরসি থেকে উৎপাদন লাইসেন্স নিতে হবে। একই সঙ্গে আইন বা নীতির পরিবর্তনের কারণে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়লে তার জন্য সরকারি সুরক্ষার ব্যবস্থাও নীতিতে রাখা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সর্বোচ্চ ৭.১১ টাকা দরে বিদ্যুৎ কিনবে বিতরণ সংস্থা

আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বেসরকারি উদ্যোগে বাণিজ্যিক বা মার্চেন্ট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অন্যতম বড় বাধা ছিল উৎপাদিত বিদ্যুতের বিক্রয়মূল্য ও জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নির্ধারণ। অবশেষে এ বিষয়ে মূল্য ও মাশুল নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে দেশে বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি জটিলতা দূর হলো।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গণশুনানি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রস্তাব পর্যালোচনা শেষে বিইআরসি এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে।

ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা

বিইআরসির নতুন আদেশ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে কিনবে।

৩৩ কিলোভোল্ট স্তরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৯৮ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে। অন্যদিকে ১৩২ কিলোভোল্ট স্তরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ টাকা ১১ পয়সা।

নতুন এই মূল্য আগামী অক্টোবর থেকেই কার্যকর হবে।

জাতীয় গ্রিড ব্যবহারে নির্ধারিত মাশুল

বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্যও মাশুল নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।

আদেশ অনুযায়ী, ২৩০ কিলোভোল্ট স্তরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৩৭ দশমিক ৮৯ পয়সা সঞ্চালন মাশুল দিতে হবে। ১৩২ কিলোভোল্ট স্তরে এই মাশুল ৩৮ দশমিক ২৫ পয়সা এবং ৩৩ কিলোভোল্ট স্তরে ৩৮ দশমিক ৯৭ পয়সা।

এই অর্থ পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশকে দিতে হবে।

পিডিবির সমন্বয় ও নিষ্পত্তি মাশুল ৫ পয়সা

নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় ও বিলিংয়ের জন্য একক ক্রেতা হিসেবে পিডিবির সমন্বয় ও নিষ্পত্তি মাশুলও নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৫ পয়সা মাশুল দিতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা, বিলিং, বিদ্যুতের হিসাব-নিকাশ এবং অর্থ নিষ্পত্তির বিভিন্ন শর্তও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবের পর গণশুনানি

বিইআরসি জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ এপ্রিল পিডিবি এ বিষয়ে একটি সমন্বিত প্রস্তাব জমা দেয়। পরে ৭ থেকে ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ এবং ছয়টি বিতরণ সংস্থা পৃথক প্রস্তাব দেয়।

এসব প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনার পর গত ২৩ আগস্ট গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বিভিন্ন পক্ষের দেওয়া তথ্য ও বক্তব্য বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত আদেশ দেয় কমিশন।

সরাসরি বিদ্যুৎ কেনার সুযোগ

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ দিয়েছে। এর ফলে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান বেসরকারি উৎপাদনকারীর কাছ থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ কিনতে পারবে।

এ ব্যবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতা নিজেদের মধ্যে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা বিদ্যুতের দাম এবং জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের মাশুল নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির।

এ ছাড়া বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করা যাবে।

দেশের যেকোনো স্থানে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ

নতুন ব্যবস্থায় দেশের যেকোনো এলাকায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে অন্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ জন্য নির্ধারিত সঞ্চালন ও বিতরণ মাশুল পরিশোধ করতে হবে।

এর মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

২০২৫ সালের নীতিতে আইনি স্বীকৃতি

গত বছরের অক্টোবরে সরকার ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর নীতি, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করে।

ওই নীতিতে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি বিদ্যুৎ কেনাবেচার চুক্তি এবং জাতীয় গ্রিড ব্যবহারের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

সৌর, বায়ু, জীবভর ও বর্জ্যসহ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উৎসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে এই নীতির আওতায় সবুজ বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

তবে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য বিইআরসি থেকে উৎপাদন লাইসেন্স নিতে হবে। একই সঙ্গে আইন বা নীতির পরিবর্তনের কারণে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়লে তার জন্য সরকারি সুরক্ষার ব্যবস্থাও নীতিতে রাখা হয়েছে।