০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৮৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

এনবিআরের এ পদক্ষেপের ফলে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থের লেনদেন সীমিত হয়ে পড়বে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এসব হিসাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সাবেক এমপি-মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ পাওয়া ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী রয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবও এ নির্দেশনার আওতায় এসেছে।

তবে তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের নাম, তাঁদের সাবেক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কোন কোন ব্যাংকে তাঁদের হিসাব রয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাংক হিসাব জব্দের এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনে অর্থের জোগান, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানের বিষয়টি এ পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সেই নির্দেশনা কার্যকর করতে হয়। এর ফলে হিসাবধারীরা স্বাভাবিকভাবে অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর কিংবা অন্যান্য লেনদেন করতে পারেন না।

ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার এনবিআর ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তবে নির্দেশনার আওতায় থাকা হিসাবগুলোর ধরন এবং কত দিনের জন্য এ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে, তা বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি।

এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব জব্দের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সব ধরনের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে নজরদারি

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের ব্যাংক হিসাব এ নির্দেশনার আওতায় আসায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ পাওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য নির্ধারণ করতে হবে।

এদিকে, ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, অর্থায়নের অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এনবিআরের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:১৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

এনবিআরের এ পদক্ষেপের ফলে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থের লেনদেন সীমিত হয়ে পড়বে। নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এসব হিসাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সাবেক এমপি-মন্ত্রীসহ ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ পাওয়া ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী রয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবও এ নির্দেশনার আওতায় এসেছে।

তবে তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের নাম, তাঁদের সাবেক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কোন কোন ব্যাংকে তাঁদের হিসাব রয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাংক হিসাব জব্দের এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনে অর্থের জোগান, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানের বিষয়টি এ পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সেই নির্দেশনা কার্যকর করতে হয়। এর ফলে হিসাবধারীরা স্বাভাবিকভাবে অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর কিংবা অন্যান্য লেনদেন করতে পারেন না।

ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বৃহস্পতিবার এনবিআর ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তবে নির্দেশনার আওতায় থাকা হিসাবগুলোর ধরন এবং কত দিনের জন্য এ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে, তা বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি।

এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব জব্দের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সব ধরনের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে নজরদারি

শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের ব্যাংক হিসাব এ নির্দেশনার আওতায় আসায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ পাওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য নির্ধারণ করতে হবে।

এদিকে, ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, অর্থায়নের অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এনবিআরের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।