রোগীদের সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

0

রোগীদের সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এমনটাই মনে করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি এডউইন সালভাদর। বনানীতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র সাঈদ খোকনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই পর্যবেক্ষণ দেন তিনি। এসময় মেয়র বলেন, ডেঙ্গু বিষয়ক জনসচেতনতা তৈরি না হলে, আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি হতে পারে। পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা ওষুধের কার্যকারিতা যাচাইয়ে ওষুধের নমুনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছেও বলে জানান দক্ষিণ সিটির মেয়র।

সম্প্রতি রাজধানীর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফগার মেশিন নিয়ে মেয়রদের এমন তৎপরতা আশা জাগায় নগরবাসীর মনে। ডেঙ্গু রোগের প্রধান কারণ মরণঘাতি এডিস মশা নিধনে চলে একের পর এক উদ্যোগ।

তবে সিটি কর্পোরেশনের ওইসব উদ্যোগকে ব্যর্থ করে দিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে, চলতি বছর মোট রোগী সংখ্যা ৪২৪৭জন, এর মাঝে শুধু জুন থেকে ১২ই জুলাই পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৬শ ৪৭ জন।

এতকিছুর পরও কেন ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ? সেই গবেষণায় নামে আইসিডিডিআরবি। গবেষণা শেষে প্রতিষ্ঠানটি দাবী করে ডেঙ্গুর রোগের প্রধান কারণ এডিস মশার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের ব্যবহার করা ওষুধ অকার্যকর।

বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা হলে, এডিস মশা নিধণের অকার্যকর এই ওষুধ আমদানি এবং ক্রয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। এমন বাস্তবতায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসেন দক্ষিন সিটির মেয়র সাঈদ খোকন।

ঘন্টা দেড়েক বৈঠক শেষে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং । শুরুতেই বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ সময় নিজের আশঙ্কা ব্যক্ত করেন দক্ষিনের মেয়র। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা ওষুধের কার্যকারিতা যাচাইয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে নমুনা হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান সাঈদ খোকন।

ডেঙ্গুর অকার্যকর ওষুধ ক্রয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া নির্দেশনার যথাযথ প্রতিপালন করা হবে বলেও জানান, দক্ষিন সিটির মেয়র।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন