রমজানের চাহিদা মেটাতে ১০টি গ্রামে মুড়ি ভাজার ধুম পড়েছে

0

রমজানের চাহিদা মেটাতে ঝালকাঠির নলছিটির বিভিন্ন এলাকার ১০টি গ্রামে মুড়ি ভাজার ধুম পড়েছে। প্রতিদিন এ গ্রামগুলো থেকে প্রায় ৩’শ মন মুড়ি দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। এতে বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে মুড়ি প্রস্তুতকারী পরিবারগুলোকে।

নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের তিমিরকাঠি, জুড়কাঠি, ভরতকাঠি, রাজাখালি এবং বুড়িরহাটসহ উপজেলার ১০ গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবার মুড়ি ভেজে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। কেমিক্যালমুক্ত মুড়ি উৎপাদন হওয়ায় এ গ্রামগুলো মুড়িপল্লী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। আমনের বিশেষ কয়েকটি জাতের ধান প্রক্রিয়াজাত করে এ মুড়ির চাল তৈরি করা হয়। তবে মুড়ির কারিগরদের নিজস্ব পুঁজি না থাকায় পাইকারদের কাছ থেকে দাদন নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে লাভের বেশিরভাগই যাচ্ছে পাইকারদের কাছে পকেটে।

এদিকে, দরিদ্র পরিবারগুলোর বিসিক থেকে ঋণ সহায়তার আশ্বাস দিলেন এই কর্মকর্তা। বছরের পর বছর মুড়ি ভেজেও শুধুমাত্র পুঁজির অভাবে ভাগ্য ফেরাতে পারেনি এই পরিবারগুলো। তাই স্থানীয়রা বলছেন, মুড়ি ভাজাকে কুটির শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করা হলে ভাগ্য ফিরবে এই মানুষগুলোরও।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন