০৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে নতুন রহস্য, কোভিডের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে চলমান মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সঙ্গে করোনাভাইরাসের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা পুরোপুরি নাকচ করা যাচ্ছে না। কারণ, ময়নাতদন্তের সময় তার শরীরে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছিল কি না, তা যাচাই করা হয়নি।

ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় বিচার চলছে। সান ইসিদ্রোর আদালতে চলা মামলায় এরই মধ্যে ৭৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ফেরারি মৃত্যুর কারণ নিয়ে এই নতুন সম্ভাবনার কথা জানান।

ময়নাতদন্তে কোভিড পরীক্ষা হয়নি

২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে বুয়েনস এইরেসে নিজ বাড়িতে মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তিনি মস্তিষ্কে সাবডিউরাল হেমাটোমার অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন।

ফেরারি আদালতে জানান, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ম্যারাডোনার ময়নাতদন্ত করা হলেও তার শরীরে কোভিডের উপস্থিতি যাচাই করা হয়নি। ফলে মৃত্যুর সঙ্গে করোনাভাইরাসের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

চিকিৎসকদের দাবিও আলোচনায়

ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের বক্তব্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এর ফলে রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে পারে।

এদিকে ম্যারাডোনার প্রধান চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের আইনজীবীরা আগেই দাবি করেছিলেন, তার ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি হয়েছিল। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল।

মামলার শেষ পর্যায়ে নতুন প্রশ্ন

ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের বিচার এখন শেষ পর্যায়ে। এ অবস্থায় আদালতের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের বক্তব্য তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তবে কোভিড-১৯ ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ ছিল—এমন কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত আদালতে দেওয়া হয়নি। বরং ময়নাতদন্তের সময় কোভিড পরীক্ষা না হওয়ায় সেই সম্ভাবনাটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ফেরারি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে নতুন রহস্য, কোভিডের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না

আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে চলমান মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সঙ্গে করোনাভাইরাসের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, তা পুরোপুরি নাকচ করা যাচ্ছে না। কারণ, ময়নাতদন্তের সময় তার শরীরে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছিল কি না, তা যাচাই করা হয়নি।

ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় বিচার চলছে। সান ইসিদ্রোর আদালতে চলা মামলায় এরই মধ্যে ৭৬ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ফেরারি মৃত্যুর কারণ নিয়ে এই নতুন সম্ভাবনার কথা জানান।

ময়নাতদন্তে কোভিড পরীক্ষা হয়নি

২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে বুয়েনস এইরেসে নিজ বাড়িতে মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তিনি মস্তিষ্কে সাবডিউরাল হেমাটোমার অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন।

ফেরারি আদালতে জানান, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ম্যারাডোনার ময়নাতদন্ত করা হলেও তার শরীরে কোভিডের উপস্থিতি যাচাই করা হয়নি। ফলে মৃত্যুর সঙ্গে করোনাভাইরাসের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

চিকিৎসকদের দাবিও আলোচনায়

ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের বক্তব্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এর ফলে রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে পারে।

এদিকে ম্যারাডোনার প্রধান চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের আইনজীবীরা আগেই দাবি করেছিলেন, তার ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি হয়েছিল। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল।

মামলার শেষ পর্যায়ে নতুন প্রশ্ন

ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের বিচার এখন শেষ পর্যায়ে। এ অবস্থায় আদালতের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের বক্তব্য তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তবে কোভিড-১৯ ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ ছিল—এমন কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত আদালতে দেওয়া হয়নি। বরং ময়নাতদন্তের সময় কোভিড পরীক্ষা না হওয়ায় সেই সম্ভাবনাটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ফেরারি।