মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্ব পেয়েই ঘুরে দাঁড়ালো রাজশাহী কিংস

0

মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্ব পেয়েই ঘুরে দাঁড়ালো রাজশাহী কিংস। বিপিএলে এবারের আসরে প্রথম জয়ের দেখা পেলো তারা। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্সকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী। রংপুরের দেয়া ১৩৫ রানের টার্গেট তাড়া করে ২০ বল হাতে রেখে জয় পায় তারা। রংপুরের এটি টানা দ্বিতীয় হার।

বিপিএলের প্রথম দিনে রাজশাহী কিংসকে হারানোর সুখ স্মৃতি রংপুর রাইডার্সের। টাটকা সেই স্মৃতি নিয়েই রাজশাহীর বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে মাশরাফিরা। কিন্তু শুরুটা সুখের হয়নি রংপুরের। দলকে হতাশ করেন বিদেশি দুই ওপেনার।

মেহেদী মিরাজের পর ফরহাদ রেজার পেসে ঘায়েল রংপুরের টপ অর্ডার। ৩৩ রানে তিন উইকেট নেই মাশরাফিদের। পরে রবি বোপারা এবং শাহরিয়ার নাফিসে ধাক্কা সামলে নেয় রংপুর রাইডার্স।

শাহরিয়ার ২৩ রানে আউট হলেও অর্ধশতক করে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করেছেন বোপারা। ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর রংপুরের স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৫ উইকেটে ১৩৪ রান।

হতাশার সিলেট পর্বের পর ঢাকায় ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যায়ে মুশফিকরা। জিততে দরকার ১৩৫ রান। ব্যাট হাতে শুরুটা দারুণ হয় রাজশাহীর। শৈল্পিক ব্যাটিং করেন দুই ওপেনার লেন্ডন সিমন্স এবং মুমিনুল হক।

উদ্বোধনী জুটি থেকে রাজশাহী পায় ১২২ রান। অর্ধশতক করেন দু’জনই। উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের আশায় ছিলো রাজশাহী। কিন্তু বাধ সাধেন লংকান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা। সিমন্সকে ৫৩তে রান আউট করার পর ম্যালকম ওয়েলারকেও শিকার করেন তিনি।

অবশ্য রাজশাহীর জয়ের পথ পরিস্কার ছিলো আগেই। রনি তালুকদারকে নিয়ে বাকী কাজটি সারেন ওপেনার মুমিনুল হক। ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

রাজশাহীর প্রথম জয়ে অবদান রাখা মুমিনুলই পান ম্যাচ সেরার পুরস্কার। সাথে নেয়া হয় প্রথম ম্যাচে রংপুরের কাছে হারের প্রতিশোধও।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন