মুক্তিযুদ্ধে ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি পায়নি অন্ধ আব্দুল হামিদ ও মনজু মিয়া

0

মুক্তিযুদ্ধে ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি পায়নি গাইবান্ধা সাদুল্যাপুরের অন্ধ আব্দুল হামিদ ও মনজু মিয়া। সরকারী সুযোগ সুবিধা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা। অন্যদিকে, ঝিনাইদহের গাড়াগঞ্জের যুদ্ধ জয়— মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিজয়ের মাইল ফলক হিসেবে মনে করা হয়। যুদ্ধের সে সময়– পাকিস্তানি বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের কথা আজও স্মরণ করেন স্থানীয়রা। মুক্তিযুদ্ধের অবহেলিত গণকবরগুলো সংরক্ষণের দাবি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের।

গাইবান্ধা সাদুল্যাপুরের বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের মৃত মুনছুর আলীর ছেলে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় পীরগঞ্জের মাদারগঞ্জ এলাকায় সম্মুখযুদ্ধ’সহ গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকার যুদ্ধে অংশ নেন তিনি। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বীকৃতি পাননি। বর্তমানে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে ও চার মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

একই গ্রামের মজনু মিয়া যুদ্ধের সময় ছিলেন কৃষক। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার কথা রেডিওতে শোনার পর বসে থাকতে পারেননি, ঝাপিয়ে পড়ে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনলেও আজও স্বীকৃতি মেলেনি তার।

অন্যদিকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের পর ঝিনাইদহে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। ছাত্র-জনতা প্রশিক্ষণ নিতে থাকে। হানাদার বাহিনী আক্রমণ শুরু করে। দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে দখলমুক্ত হয় ঝিনাইদহ। সে সময়ের পাকিস্তানি বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের কথা স্মরণ করে আজও শিউরে ওঠেন স্থানীয়রা। তবে বিজয়ের এত বছর পেরিয়ে গেলেও— মুক্তিযুদ্ধের অবহেলিত গণকবরগুলো সংরক্ষণ করা হয়নি।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন