করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- এসডিজি অর্জনে বৈশ্বিক রোডম্যাপ প্রণয়নের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, সব দেশের করোনার টিকা পাওয়া নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ছয়টি সুপারিশ পেশ করেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরের প্রথম দিনে স্থানীয় সময় সোমবার সকালে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাগানে একটি ‘হানি লোকাস্ট’ গাছ রোপণ করেন তিনি। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে তার বাণী সম্বলিত একটি বেঞ্চ উন্মুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক রেখেই রাষ্ট্র ও জনগনের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ।

এরপর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের যৌথ আয়োজনে জাতিসংঘে জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক বৈঠকে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার জলবায়ু তহবিল আদায় করে তার ৫০ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করার প্রস্তাব দেন।

টেকসই উন্নয়নের ওপর নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বক্তব্যে করোনা পরবর্তী বৈশ্বিক রোডম্যাপের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সব দেশের জন্য টিকা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

জরুরি পরিস্থিতি ও বিপর্যয় মোকাবিলায় যথাযথ ও সময়োপযোগী সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ হাসিনা। টুয়েন্টি থার্টি এজেন্ডাকে একটি বৈশ্বিক চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।

এর আগে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরুপ জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষক এসডিএসএন পুরুস্কারে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।