মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী
- আপডেট সময় : ০৪:৪৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে একটি বিমানবাহী রণতরী ও প্রায় ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট নামের এই রণতরী অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ ও সেনাসদস্য নিয়ে নভেম্বরের শেষদিকে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক হামলা চালাতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্ত সামনে এলো।
মধ্যপ্রাচ্যে থাকবে তিন বিমানবাহী রণতরী
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরী অবস্থান করছে। এগুলো হলো ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন। নতুন করে ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট সেখানে পৌঁছালে অঞ্চলটিতে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী থাকবে।
সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন থাকে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন। তবে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সেনাদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে রণতরীটিকে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে ছিল আব্রাহাম লিংকন
ইরানের সঙ্গে সংঘাতের কারণে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের সেনাদের দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থান করতে হয়েছে। এতে সেনাদের মধ্যে ক্লান্তি ও হতাশা তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিস্থিতির কারণে মার্কিন সরকার শেষ পর্যন্ত রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে নতুন করে থিওডর রুজভেল্ট পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা
তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছালে এ অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও মেরিন সেনার সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি কয়েকশ যুদ্ধবিমানও সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা, যুদ্ধবিমান ও তিনটি বিমানবাহী রণতরীর উপস্থিতি সামরিকভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের মোতায়েন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে গত সপ্তাহে নতুন একটি প্রস্তাব দেয় ইরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ার পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে চুক্তি করতে চাইছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিও আরও বাড়ছে।






















