ভাষান চরে প্রাথমিকভাবে এক লাখ রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসন করা হবে

0

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা ভাষান চরে প্রাথমিকভাবে এক লাখ রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসন করা হবে। এরই মধ্যে পুনর্বাসন কেন্দ্রে বেড়িবাঁধ, বাসস্থান, সাইক্লোন শেল্টার, অভ্যন্তরীণ সড়ক, লাইট হাউজসহ শেষ হয়েছে ৯০ ভাগ কাজ। চলতি মাসেই এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নোয়াখালীর ভাসানচরে গত ১০ মাস যাবত রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে কাজ করছে ২০ থেকে ২২ হাজার শ্রমিক। চরটির দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার এবং প্রস্থ্য ১৪ কিলোমিটার। এখানে নির্মান করা হচ্ছে থাকার ঘর, খেলার মাঠ, পুকুর, মসজিদ, হাসপাতাল, সড়ক, লাইট হাউজ, গার্ডেন, সাইক্লোন শেল্টার, সোলার সিস্টেম। তৈরী হচ্ছে ১হাজার ৪ শ’ ৪০টি টিনশেড পাকাঘর। প্রতিটি শেডে রয়েছে ১৮টি রুম। যার দুই পাশে আছে বাথরুম আর কিচেন। ৪ সদস্যের পরিবারকে দেয়া হবে ১ টি রুম।

মেঘনায়ে জেগে উঠা এ চরের নিরাপত্তার স্বার্থে নির্মান করা হয়েছে ১৪ কিলোমিটার বেঁড়ি বাঁধ। স্থানীয় সংসদ সদস্য জানান, ভাষান চর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় রোহিঙ্গাদের কারণে নোয়াখালীতে এর বিরুপ কোন প্রভাব পড়বে না। স্থানীয়রা জানান, ভাসান চরে কেবল ১ লাখ নয়, ১০ লাখ রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের পর্যাপ্ত জায়গা আছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন