বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বিমানের
- আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
বহর আধুনিকায়ন ও নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সই হয়। বিমানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসেন এবং বোয়িংয়ের পক্ষে কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন চুক্তিতে সই করেন।
থাকছে ৭৮৭-১০ ও ৭৩৭-৮
বোয়িংয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিমানের নতুন ক্রয়াদেশে পাঁচটি ৭৮৭-১০ এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ রয়েছে। অর্থাৎ মোট ১১টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হবে বিমানের বহরে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসেন বলেন, এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের বহর আধুনিকায়ন এবং নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বর্তমানে বিমান আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রুটে বোয়িংয়ের ৭৮৭, ৭৭৭ এবং ৭৩৭ নেক্সট-জেনারেশন উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। এসব উড়োজাহাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের সঙ্গে আকাশপথে যুক্ত রয়েছে।
নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা
বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেন, বিমানের নতুন ক্রয়াদেশ প্রতিষ্ঠানটির বহর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশলগত পরিকল্পনার প্রতিফলন।
বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনও চুক্তির বিষয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের এভিয়েশন খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে নতুন উড়োজাহাজের প্রয়োজন রয়েছে।
মাহদী আমিন আরও বলেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


























