বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশের কারণে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা কমেনি

0

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দাবি, অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশের কারণে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা কমেনি। বরং খানিকটা বেড়েছে। কারণ এতে বলা হয়েছে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব ও সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অভিন্ন না হলে, সুপ্রিমকোর্টের পরামর্শই প্রাধান্য পাবে।

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির ‘শৃঙ্খলা বিধির গেজেটে’ দুর্নীতি বা অসদাচরণে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে এ বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে বলা হয়, কারো বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ সুনিদিষ্টভাবে পওয়া গেলে সুপ্রিমকোর্ট অনুসন্ধানের প্রয়োজন বোধ করলে তা তদন্ত হবে। আর অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত কাজের প্রধান হবেন জেলা জজের সমমর্যাদার।

অসদাচরণ ও দুর্নীতি প্রমাণিত হলে তিরস্কার, বাধ্যতামুলক অবসর, চাকরি থেতে অব্যাহতি এবং পদোন্নতি স্থগিতসহ বেশ কিছু দণ্ডের কথাও রয়েছে গেজেটে। এছাড়া রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর কাজে লিপ্ত, পেশা থেকে না জানিয়ে ৬০ দিনের বেশি অনুপস্থিত, শারিরীক বা মানসিক অদক্ষতা উপযুক্ত মেডিকেল কর্তৃপক্ষে মাধ্যমে প্রমাণিত হলে বাধ্যতামুলক অপসারণ করতে পারবে কর্তৃপক্ষ।

সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু ব্যক্তি এ বিধিমালার সমালোচনা করছেন। তার মতে, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের আলোকেই প্রণয়ণ করা হয়েছে এ বিধিমালা। যেখানে কিছু ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতাও প্রাধান্য পেয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিয়েই নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির ‘শৃঙ্খলা বিধির গেজেট চুড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

শেয়ার করুন।