বন্দরনগরীর ১৬ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী আসনটি সম্পুর্ণ ব্যতিক্রম

0

বন্দরনগরীর ১৬ টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী আসনটি সম্পুর্ণ ব্যতিক্রম। কারণ আওয়ামীলীগ ও বিএনপি বড় দুই দলের কেউই একাদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির লাঙ্গলের ওপরই ভরসা রেখেছে আওয়ামী লীগ। আর বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ মাঠে থাকলেও ফসল ঘরে তোলার দায়িত্ব পেয়েছেন কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান। দুই প্রার্থীই বলছেন প্রধান শরিকের সব নেতাকর্মীই বিজয় ছিনিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

৪ লাখ ৩০ হাজার ২৪৮ জন ভোটারের বিশাল এই আসনটির নাম চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে হেফাজতে ইসলামের সদরদফতর হিসেবে পরিচিত দেশের সবচেয়ে বড় কওমী মাদ্রাসাও এই উপজেলায়ই অবস্থিত। সঙ্গত কারণেই এখানকার ভোটের হিসেব নিকেশ কিছুটা ভিন্ন।

২০০১ সালের পর থেকে হাটহাজারী আসনের ব্যালটে নৌকার ছবি নেই। ২০০৮, ২০১৪ সালের মতো এবারো লাঙ্গল প্রতীকে মহাজোটের প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে এসেছেন কল্যানপার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীরপ্রতীক। প্রত্যন্ত এলাকায়ও দিনরাত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন, স্বতন্ত্রপ্রার্থীসহ মোট ১১ জন প্রার্থী এই আসন থেকে অংশ নিচ্ছেন একাদশ সংসদ নির্বাচনে। শেষ পর্যন্ত সবাই ভোটের মাঠে থাকলেও লড়াই হবে মূলত মহাজোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর মধ্যেই।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন