ফেনীর সোনাগাজীর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার চাদাঁবাজীতে অতিষ্ঠ ছিলো স্থানীয়রা

0

ফেনীর সোনাগাজীর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার চাদাঁবাজীতে অতিষ্ঠ ছিলো স্থানীয়রা। নুসরাত হত্যার পর তাকে প্রত্যাহার করা হলে ভুক্তভোগীরা এমন অভিযোগ করে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তারা জানান, তার হয়রানী থেকে বাঁচতে পারেনি ব্যবসায়ী, খেটে-খাওয়া মানুষসহ শিক্ষার্থীরা।

গত ২৭ মার্চ মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত অধ্যক্ষের হাতে শ্লীলতাহানীর স্বীকার হোন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থানায় নুসরাতকে ভিডিও’র মাধ্যমে আরেক দফা নির্যাতন করে ওসি মোয়াজ্জেম। এরপর সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দেন তিনি।

৬ এপ্রিল অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে নুসরাতকে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যার চেষ্টার পর ওসিসহ স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালায়। ১০ এপ্রিল নুসরাত মৃত্যুর সঙ্গে টানা ৪ দিন পাঞ্জা লড়ে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করে। এঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে জেলাবাসী। পরে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৯ এপ্রিল ওসি মোয়াজ্জেমকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর মুখ খুলতে শুরু করেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া ছিলো তার প্রধান কাজ।

ওসি মোয়াজ্জেম এর আগে ফেনী মডেল থানায়, ছাগলনাইয়া থানা ও সবশেষ সোনাগাজী থানায় মোট ৬ বছর কর্মরত ছিলেন। সেসময় প্রতিটি থানার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দালালদের মাধ্যমে গড়ে তোলেন সেন্ডিকেট। তাদের মাধ্যমে হয়রানীর শিকার হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। তবে এসব বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানালেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

নুসরাত হত্যার ঘটনায় সবশেষ আটক রয়েছে ২১ জন। আর এরমধ্যে এজহারভুক্ত আসামী ৮ জন। ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে ৮ আসামী।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন