০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: রাজউক সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৬৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া দুটি প্লট বাতিল এবং প্রত্যেক আসামিকে ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জেলা জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।

সাবেক রাজউক চেয়ারম্যানসহ দণ্ডিত ৮ জন

এ মামলায় দণ্ডিত অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য এস ডি ফয়েজ, ওয়াহেদুল ইসলাম, জাফর উল্লাহ, জহুরুল হক ও রেজাউল করিম তরফদার। এ ছাড়া প্লটগ্রহীতা শওকত আজীজ ও আশফাক আজীজকেও কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মামলার রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

যেভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয় দুটি প্লট

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তাঁরা বৈধ আবেদনকারীদের বঞ্চিত করে প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জামানত প্রত্যাহার এবং আবেদন বাতিল হওয়ার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে শওকত আজীজ ও আশফাক আজীজকে পূর্বাচলে মোট ১০ কাঠা করে দুটি প্লট বরাদ্দ পাইয়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্লট বরাদ্দে অনিয়মের এ ঘটনায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্লটগ্রহীতাদেরও আসামি করা হয়।

বাতিল দুটি প্লট, প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

আদালতের রায়ে দণ্ডিত আট আসামিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে বরাদ্দ পাওয়া দুটি প্লটও বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা অনুপস্থিত থাকায় তাঁদের গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মামলাটিতে বিচারিক সিদ্ধান্ত আসে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: রাজউক সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৩০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া দুটি প্লট বাতিল এবং প্রত্যেক আসামিকে ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জেলা জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন।

সাবেক রাজউক চেয়ারম্যানসহ দণ্ডিত ৮ জন

এ মামলায় দণ্ডিত অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য এস ডি ফয়েজ, ওয়াহেদুল ইসলাম, জাফর উল্লাহ, জহুরুল হক ও রেজাউল করিম তরফদার। এ ছাড়া প্লটগ্রহীতা শওকত আজীজ ও আশফাক আজীজকেও কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মামলার রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

যেভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয় দুটি প্লট

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তাঁরা বৈধ আবেদনকারীদের বঞ্চিত করে প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জামানত প্রত্যাহার এবং আবেদন বাতিল হওয়ার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে শওকত আজীজ ও আশফাক আজীজকে পূর্বাচলে মোট ১০ কাঠা করে দুটি প্লট বরাদ্দ পাইয়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্লট বরাদ্দে অনিয়মের এ ঘটনায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্লটগ্রহীতাদেরও আসামি করা হয়।

বাতিল দুটি প্লট, প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

আদালতের রায়ে দণ্ডিত আট আসামিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে বরাদ্দ পাওয়া দুটি প্লটও বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা অনুপস্থিত থাকায় তাঁদের গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মামলাটিতে বিচারিক সিদ্ধান্ত আসে।