প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে সংক্ষুব্ধদের আপিল

0

প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে শুরু করেছেন মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা। প্রথম দিন ৮২ প্রার্থী ইসিতে আপিল করেছেন। আগামি ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে আপিল গ্রহণ। এদিকে, সরকারি কর্মকর্তাদের এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, কোনো ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করে নিজেদের মর্যাদা খোয়াতে চায় না নির্বাচন কমিশন। তাই ন্যায়-নিষ্ঠা ও সততার সাথে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে– ২ ডিসেম্বর সারাদেশে ৩ হাজার ৬৫ প্রার্থীর মধ্যে ৭৮৬ জনের মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। এসব মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে- ঋণখেলাপি, লাভজনক পদে থাকা, স্বাক্ষরে গড়মিল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক শতাংশ ভোটারের সঠিক সই না থাকাকে।

তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের আইন বিভাগে আপিল করছেন মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। সোমবার আপিলের প্রথম দিনেই সকাল থেকে নির্বাচন কমিশনে ভিড় করেন তারা। যাদের মধ্যে রয়েছেন বড় দলগুলোর অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীসহ বিভিন্ন কারণে আলোচনায় থাকা প্রার্থীরাও।

আগামী বুধবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফিরে না পেলে পরবর্তী ধাপে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে নির্বাচনী আইনে।

এদিকে, সকালে সরকারি কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এবারের নির্বাচনকে– মান-মর্যাদা সমুন্নত রাখার নির্বাচন হিসেবে আখ্যা দেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। সততা ও সাহসিকতার সাথে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সরকারি কর্মকর্তাদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম রোধে কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের অবজ্ঞা বা শিথিলতা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন নির্বাচন কমিশনার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন