পাইলট ও কন্ট্রোল রুমের ভুল বোঝাবুঝিতে নেপালে বিমান দুর্ঘটনা

0

কাঠমাণ্ডুতে বিমান বিধ্বস্তের জন্য, পাইলটের সঙ্গে কন্ট্রোল রুমের ভুল বোঝাবুঝিকে দায়ী করেছেন, ত্রি-ভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এদিকে, দুর্ঘটনায় আহত বিমানের প্রধান ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানাও আজ মারা গেছেন। এনিয়ে, মোট ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫০ জনের মৃত্যু হলো। ইউএস বাংলা বিমানের ধ্বংসস্তুপ থেকে অক্ষতভাবে ‘ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার’ উদ্ধার করা হয়েছে। ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনা তদন্তে ছ’ সদস্যের কমিশন গঠন করেছে নেপাল সরকার।

বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এসেছে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ও ত্রিভূবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। বিমানবন্দরের দাবি, পাইলট ভুল রানওয়েতে অবতরণ করেছিলো। আর ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছিলো ককপিটে।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে, এরিমধ্যে উদ্ধার হওয়া ‘ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার’টির পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন, ত্রি-ভূবন বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার- রাজ কুমার ছেত্রি।

দেশটি সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সাবেক ডিরেক্টর জেনারেল– যজ্ঞ প্রসাদ গৌতমের নেতৃত্বে ছ’সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করেছে নেপাল। সোমবার মন্ত্রীসভায় অনুমোদন পাওয়া ওই কমিটি মঙ্গলবার সকাল থেকে কাজ শুরু করেছে।

আহত পাইলট আবিদ সুলতান মঙ্গলবার মারা গেছেন। বেঁচে যাওয়া অন্তত ২২ জনের চিকিৎসা চলছে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে। এতো মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে কাঠমান্ডুতেও।

ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে সোমবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায় ইউএস বাংলা বিমানটি। অবতরণের সময় এতে আগুন ধরে যায়। ত্রি-ভূবন বিমানবন্দরের কাছেই ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয় বিমানটি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ফ্লাইটটিতে কমপক্ষে ৩২ জন বাংলাদেশি, ৩৩ জন নেপালী ও একজন করে চীন ও মালদ্বীপের নাগরিক ছিলেন।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন