০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরিকল্পিত নগরায়ণে মাস্টারপ্ল্যানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পরিকল্পিত নগরায়ণ ও সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শহর ও নগরগুলোতে প্রতিনিয়ত মানুষের বসতি বাড়ছে। রাজধানী ঢাকা বর্তমানে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে রয়েছে। দেশের অন্যান্য শহরেও প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বলেন, ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ ধারণাটি বর্তমান বাস্তবতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরাঞ্চলে সব মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পরিকল্পিত নগরায়ণ করতে হবে।

সবার জন্য আবাসন নিশ্চিতের উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বাস্তবতায় সর্বজনীন বাসস্থান ও টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করা সহজ নয়। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত বাসস্থান এবং মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের ব্যবস্থা করাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও আবাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নগরগুলোর ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, আবাসন, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ ও নাগরিক সেবাকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা হবে।

ইতোমধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

তার মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে। পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১১ নম্বর লক্ষ্য অর্জনও সহজ হবে।

আবাসন মেলার উদ্বোধন

অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সব কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি আবাসন মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বক্তব্য দেন।

এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পরিকল্পিত নগরায়ণে মাস্টারপ্ল্যানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

পরিকল্পিত নগরায়ণ ও সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শহর ও নগরগুলোতে প্রতিনিয়ত মানুষের বসতি বাড়ছে। রাজধানী ঢাকা বর্তমানে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে রয়েছে। দেশের অন্যান্য শহরেও প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বলেন, ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ ধারণাটি বর্তমান বাস্তবতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহরাঞ্চলে সব মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে পরিকল্পিত নগরায়ণ করতে হবে।

সবার জন্য আবাসন নিশ্চিতের উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বাস্তবতায় সর্বজনীন বাসস্থান ও টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিত করা সহজ নয়। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত বাসস্থান এবং মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের ব্যবস্থা করাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও আবাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনি অঙ্গীকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নগরগুলোর ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ, আবাসন, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ ও নাগরিক সেবাকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা হবে।

ইতোমধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

তার মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে। পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১১ নম্বর লক্ষ্য অর্জনও সহজ হবে।

আবাসন মেলার উদ্বোধন

অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সব কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি আবাসন মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বক্তব্য দেন।

এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।