০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

নিহত শ্রমিক তৌফিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস আমিরের

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৬০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নিহত শ্রমিকের স্ত্রী ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াত আমির।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে তৌফিকের স্ত্রী ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি শোকাহত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা শোনেন। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ফোনালাপের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। পরে তিনি পরিবারটির এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছিলেন দুই ভাই

ফোনালাপে ডা. শফিকুর রহমান জানান, নিহত তৌফিক হোসেন ও তার বড় ভাই একই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা দুই ভাইকে জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত কঠোর পরিশ্রম করতে হতো। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে দুজনই কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন।

কিন্তু শ্রমিক আন্দোলনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর বড় ভাইয়ের জীবনে নেমে এসেছে গভীর শোক। ভাইকে চোখের সামনে হারানোর কষ্ট তাকে ভেঙে দিয়েছে। এমনকি মৃত্যুর আগে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে শেষবার কথা বলতে না পারার আক্ষেপও রয়েছে তার।

জামায়াত আমির বলেন, দরিদ্র পরিবারের জন্য উপার্জনক্ষম একজন সদস্যকে হারানো অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশেষ করে যে পরিবার আগে থেকেই অভাব-অনটনের মধ্যে ছিল, তাদের জন্য এই ক্ষতি সামলে ওঠা আরও কঠিন।

১১ মাসের সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় স্ত্রী

তৌফিকের পারিবারিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান জানান, তার স্ত্রীও আগে পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তবে সন্তান জন্মের পর শিশুটির দেখাশোনার জন্য চাকরি ছেড়ে দেন তিনি।

তাদের একমাত্র সন্তান সিয়ামের বয়স মাত্র ১১ মাস। এত অল্প বয়সেই বাবাকে হারাতে হয়েছে শিশুটিকে। অন্যদিকে স্বামীকে হারিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছেন তার মা।

একদিকে স্বামীর মৃত্যুর শোক, অন্যদিকে সন্তানের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তৌফিকের স্ত্রী। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানোর পর কীভাবে সংসার চলবে, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফোনালাপে জামায়াত আমির শোকাহত স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে ১১ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে যেন পরিবারটি আরও বড় সংকটে না পড়ে, সে বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

নিজস্ব জমি নেই, চাচার ছোট ঘরে বসবাস

নিহত তৌফিকের পরিবারের আর্থিক ও আবাসিক সংকটের কথাও তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, তাদের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায়। সেখানে পরিবারের নিজস্ব কোনো জায়গাজমি নেই।

বর্তমানে তৌফিকের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তার চাচার একটি ছোট ঘরে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল এই পরিবারে তৌফিকের মৃত্যু নতুন করে সংকট তৈরি করেছে।

বিশেষ করে শিশুসন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি তার ভরণপোষণ ও বেড়ে ওঠার দায়িত্ব এখন মায়ের ওপর এসে পড়েছে।

এ অবস্থায় পরিবারটির আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামায়াত আমিরও তাদের দুরবস্থার কথা শুনে দুঃসময়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তৌফিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করতে হবে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষ ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ কতটা পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তাদের বিচার চাওয়ার অধিকার রয়েছে। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো পরিবার যেন বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

তার মতে, একজন শ্রমিকের জীবনেরও যথাযথ মূল্য রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে কিংবা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে কোনো শ্রমিকের প্রাণহানি হলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তৌফিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, এই বিপর্যস্ত পরিবারকে একা ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাদের দুঃসময়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হবে।

পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন স্থানীয় নেতারা

ফোনালাপের সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গাইবান্ধা জেলা শাখার আমির আব্দুল করিম এমপি, সাবেক জেলা আমির ও চিকিৎসক ডা. আব্দুর রহিম সরকার এবং গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আমিরসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তারা নিহত তৌফিকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারের বর্তমান অবস্থা, আর্থিক সংকট ও বসবাসের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি শোকাহত স্বজনদের সান্ত্বনা দেন।

তৌফিকের মৃত্যুর পর পরিবারটি এখন শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ১১ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে তার স্ত্রীর ভবিষ্যৎ কীভাবে চলবে, তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা যেমন আর্থিক ও মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন, তেমনি তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাও করছেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিহত শ্রমিক তৌফিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস আমিরের

আপডেট সময় : ০১:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। নিহত শ্রমিকের স্ত্রী ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াত আমির।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে তৌফিকের স্ত্রী ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি শোকাহত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা শোনেন। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ফোনালাপের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। পরে তিনি পরিবারটির এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছিলেন দুই ভাই

ফোনালাপে ডা. শফিকুর রহমান জানান, নিহত তৌফিক হোসেন ও তার বড় ভাই একই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা দুই ভাইকে জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত কঠোর পরিশ্রম করতে হতো। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে দুজনই কাজ করে সংসারে সহযোগিতা করতেন।

কিন্তু শ্রমিক আন্দোলনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর বড় ভাইয়ের জীবনে নেমে এসেছে গভীর শোক। ভাইকে চোখের সামনে হারানোর কষ্ট তাকে ভেঙে দিয়েছে। এমনকি মৃত্যুর আগে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে শেষবার কথা বলতে না পারার আক্ষেপও রয়েছে তার।

জামায়াত আমির বলেন, দরিদ্র পরিবারের জন্য উপার্জনক্ষম একজন সদস্যকে হারানো অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশেষ করে যে পরিবার আগে থেকেই অভাব-অনটনের মধ্যে ছিল, তাদের জন্য এই ক্ষতি সামলে ওঠা আরও কঠিন।

১১ মাসের সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় স্ত্রী

তৌফিকের পারিবারিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান জানান, তার স্ত্রীও আগে পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তবে সন্তান জন্মের পর শিশুটির দেখাশোনার জন্য চাকরি ছেড়ে দেন তিনি।

তাদের একমাত্র সন্তান সিয়ামের বয়স মাত্র ১১ মাস। এত অল্প বয়সেই বাবাকে হারাতে হয়েছে শিশুটিকে। অন্যদিকে স্বামীকে হারিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে পড়েছেন তার মা।

একদিকে স্বামীর মৃত্যুর শোক, অন্যদিকে সন্তানের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা—সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তৌফিকের স্ত্রী। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানোর পর কীভাবে সংসার চলবে, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফোনালাপে জামায়াত আমির শোকাহত স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে ১১ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে যেন পরিবারটি আরও বড় সংকটে না পড়ে, সে বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

নিজস্ব জমি নেই, চাচার ছোট ঘরে বসবাস

নিহত তৌফিকের পরিবারের আর্থিক ও আবাসিক সংকটের কথাও তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, তাদের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায়। সেখানে পরিবারের নিজস্ব কোনো জায়গাজমি নেই।

বর্তমানে তৌফিকের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তার চাচার একটি ছোট ঘরে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল এই পরিবারে তৌফিকের মৃত্যু নতুন করে সংকট তৈরি করেছে।

বিশেষ করে শিশুসন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি তার ভরণপোষণ ও বেড়ে ওঠার দায়িত্ব এখন মায়ের ওপর এসে পড়েছে।

এ অবস্থায় পরিবারটির আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামায়াত আমিরও তাদের দুরবস্থার কথা শুনে দুঃসময়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তৌফিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করতে হবে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষ ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ কতটা পাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তাদের বিচার চাওয়ার অধিকার রয়েছে। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো পরিবার যেন বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

তার মতে, একজন শ্রমিকের জীবনেরও যথাযথ মূল্য রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে কিংবা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে কোনো শ্রমিকের প্রাণহানি হলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

তৌফিকের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, এই বিপর্যস্ত পরিবারকে একা ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাদের দুঃসময়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হবে।

পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন স্থানীয় নেতারা

ফোনালাপের সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গাইবান্ধা জেলা শাখার আমির আব্দুল করিম এমপি, সাবেক জেলা আমির ও চিকিৎসক ডা. আব্দুর রহিম সরকার এবং গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আমিরসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তারা নিহত তৌফিকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারের বর্তমান অবস্থা, আর্থিক সংকট ও বসবাসের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি শোকাহত স্বজনদের সান্ত্বনা দেন।

তৌফিকের মৃত্যুর পর পরিবারটি এখন শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ১১ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে তার স্ত্রীর ভবিষ্যৎ কীভাবে চলবে, তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা যেমন আর্থিক ও মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন, তেমনি তৌফিকের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাও করছেন।