অভ্যন্তরীণ ক্ষতি ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে শাহেদ-সাবরিনার ভূয়া রিপোর্ট

0

দেশে করোনার প্রসারে বড় ভূমিকা ছিল শাহেদ, সাবরিনার ভূয়া রিপোর্ট। যা অভ্যন্তরীণ ক্ষতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে প্রবাসী কর্মীদের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। এমন পর্যবেক্ষণ সাবেক ডিএমপি কমিশনার নাইম আহমেদের। আর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের মতে, প্রতারণা বন্ধে দ্রুত এদের কঠোর সাজা নিশ্চিত করে সবাইকে সতর্কবার্তা দেয়া প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা আরো জানান, আইনের ফাঁক দিয়ে প্রতারকরা যাতে বেরিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য মামলার চার্জশীট তৈরীর পূর্বে তদন্ত কর্মকর্তাদের উচিত আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করা।

করোনা সংকট জনজীবনে সর্বনাশ ডেকে আনলেও শাহেদ আর সাবরিনার মতো প্রতারকদের জন্য তা পৌষমাসের মতো আশীর্বাদে পরিণত হয়। সবার নাকের ডগায় ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে এবং চিকিৎসার নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদ করিম।অন্যদিকে অর্থ-লালসায় করোনার ভূয়া রিপোর্ট দিয়ে রোগীর জীবন বাঁচাবার পরিবর্তে অন্য সবাইকেও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে আরেক প্রতারক- জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা।

বৈশ্বিক এই মহামারীতে চিকিৎসার নামে এমন প্রতারণা দেশের ইমেজের সাথে অর্থনৈতিক সংকটও তৈরী করেছে বলে অভিমত সাবেক ডিএমপি কমিশনারের।সবাইকে সতর্ক করে আইনের প্রতি মানুষকে আস্থাশীল রাখতে অপরাধীদের কঠোর সতর্কবার্তা দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন এই আইন বিশেষজ্ঞ।শিক্ষিত চতুর এসব প্রতারকের মামলার চার্জশীট তৈরীতে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেন তিনি কোন বিশেষ পরিচয় নয়, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে বলেও মত দেন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার, নাইম আহমেদ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন