ঢাকায় আসছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম
- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৭৩ বার পড়া হয়েছে
রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়াম জ্বালানি নিয়ে একটি বিমান ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউরেনিয়ামবাহী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিষয়টি শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি জানান, রাশিয়া থেকে রওনা হওয়া বিমানটি ভারতে যাত্রাবিরতি করে ঢাকায় আসবে।
নিরাপত্তায় রূপপুরে নেওয়া হবে ইউরেনিয়াম
ইউরেনিয়ামবাহী বিমান ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর চালানটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় ইউরেনিয়ামের চালান রূপপুরে পৌঁছানো হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের অংশ হিসেবে এই চালান দেশে আসছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ ও পরিবহনে নির্ধারিত নিরাপত্তাব্যবস্থা অনুসরণ করা হচ্ছে।
নভেম্বর-ডিসেম্বরে আসবে আরও ইউরেনিয়াম
চলতি বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ইউরেনিয়াম দেশে আসার কথা রয়েছে। এ সময়ে মোট ৯টি ফ্লাইটে রূপপুরের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি আনা হবে।
এর মধ্যে প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত ৪৮টি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বল দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব চালান রাশিয়া থেকে বিভিন্ন দেশের রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
জানা গেছে, ইউরেনিয়ামের চালান রাশিয়া থেকে কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসবে।
২০২৩ সালে প্রথম জ্বালানি আসে
এর আগে ২০২৩ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য প্রথম দফার জ্বালানি বাংলাদেশে আসে। পরে চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের জন্য পর্যায়ক্রমে পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আনা হচ্ছে। নতুন চালানগুলো আসার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটির জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি
পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ, চুল্লিতে জ্বালানি স্থাপন এবং পরবর্তী পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানিও পর্যায়ক্রমে দেশে আনার প্রস্তুতি চলছে।
























