ট্রাম্প–পুতিন ফোনালাপে আবারো উত্তাল বিশ্ব
- আপডেট সময় : ০১:০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৭৩ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধের টানাপোড়েনের মধ্যেই বুধবার এক দীর্ঘ ফোনালাপে বিশ্ব রাজনীতির উত্তাপ আবারও বাড়ল।রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বুধবার দেড় ঘণ্টার মতো টেলিফোনে আলাপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাত্র দেড় ঘণ্টার একটি ফোনালাপ… কিন্তু তার প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে ওয়াশিংটন থেকে মস্কো, কিয়েভ থেকে তেহরান পর্যন্ত।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশেষ করে ইরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করতে চায় মস্কো। ওভাল অফিস থেকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ট্রাম্প বলেন, পুতিন সহায়তা করতে চান। কিন্তু আমি বলেছি, আমাকে সহায়তা করার আগে আপনার নিজের যুদ্ধ শেষ করতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তিনি আমাকে বলেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে চলা প্রক্রিয়ায় তিনি যুক্ত হতে চান। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সহায়তা করতে পারেন। ক্রেমলিন অবশ্য জানিয়েছে, ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা হয়েছে। এবং ফোনালাপে পুতিন ও ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাত নিরসনে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।
এদিকে, ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির এক শুনানিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি বিস্ময়কর সামরিক সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন। তার মতে, মার্কিন সামরিক কৌশল ইরানকে মোকাবিলা করতে পুরোপুরি সফল হচ্ছে।
তবে, তবে বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প-পুতিনের এই ফোনালাপ শুধু কূটনৈতিক যোগাযোগ নয়—বরং একটি রাজনৈতিক বার্তাও। কারণ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব যেমন আশার আলো দেখায়, তেমনি এর সময় ও শর্ত নিয়ে সন্দেহও থেকেই যায়।
বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—এই “দেড় ঘণ্টার ফোনালাপ” সত্যিই কি শান্তির সূচনা, নাকি আরেকটি কৌশলগত কূটনৈতিক চাল?
























