টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের জোর
- আপডেট সময় : ১২:৫০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
টেকসই শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব এবং অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত ‘উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি (ডব্লিউপিএস) ফোকাল পয়েন্টস নেটওয়ার্ক’-এর বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ফিলিপাইন, ইতালি ও ইউএন উইমেনের যৌথ উদ্যোগে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
বৈঠকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক রেজুলেশন ১৩২৫ গ্রহণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এর বাস্তবায়ন ও জবাবদিহিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
শামা ওবায়েদ বলেন, ২০০০ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে রেজুলেশন ১৩২৫ সমর্থনে বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি জলবায়ু ও মানবিক কার্যক্রমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বা ডব্লিউপিএস অ্যাজেন্ডার কার্যকর অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানানো হয়।
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অপরাধের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
তিনি জানান, বাংলাদেশ নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে দ্বিতীয় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বা ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
ডিজিটাল হয়রানি ও এআই-নির্ভর সহিংসতা
নারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল হয়রানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-নির্ভর সহিংসতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ ‘ঢাকা ডায়ালগ’-এর বিষয়টিও বৈঠকে তুলে ধরেন শামা ওবায়েদ।
এ ছাড়া আসন্ন ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’-এ যোগ দিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আমন্ত্রণ জানান তিনি।


























