জুরাইন কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই সমাহিত হলেন খোকা

0

স্বজন ও এলাকাবাসীকে শেষবারের মতো দেখানোর জন্যে সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ নেয়া হয়েছে গোপীবাগে তাঁর নিজ বাসভবনে। এরপর গোপীবাগে এবং ধুপখোলা মাঠে দু’দফা জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই সমাহিত হলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। এর আগে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় দুটি জানাজা। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্যে রাখা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ এসে পৌঁছায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বিমানবন্দরে বিএনপির পক্ষে খোকার মরদেহ গ্রহণ করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সাদেক হোসেন খোকাকে শেষবারের মতো দেখেন রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। জানাজায় অংশ নেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজৈনিতক দলের নেতা ও সংসদ সদস্যরা। সাদেক হোসেন খোকার রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরে, তাঁর মৃত্যুতে দেশের অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাজনীতিবিদরা।

সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্যে, মুক্তিযুদ্ধের এই গেরিলা যোদ্ধাকে নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। বিভন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনানীকে।

সেখান থেকে নেয়া হয়, তাঁর নিজ রাজনৈতিক দল বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। নিজ দলের এই নেতাকে শেষ বারের মতো ফুলেল শ্রদ্ধা জানান হাজারো নেতাকর্মী।

মুক্তযুদ্ধের একজন সাহসী যোদ্ধা ছিলেন সাদেক হোসেন খাকা। তাঁর চলে যাওয়ায় দলের অনেক ক্ষতি হলো বলে মন্তব্য করেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফঝখরুল ইসলাম আলমগীর।

জীবন সায়াহ্নে এসে দেশের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ইচ্ছে পোষন করেছিলেন সাদেক হোসেন খাকা। কিন্তু সেই আশা পুরণ না হওয়ায় আক্ষেপ নিয়েই চলে গেলেন, বলে জানান তাঁর বড় ছেলে।

এরপর নগর ভবনে জানাজা শেষে মরদেহ নেয়া হয় গোপীবাগে তাঁর নিজ বাসায়।

ধুপখোলা মাঠে সবশেষ জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে বাবা মায়ের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন সাদেক হোসেন খোকা।

 

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন